রানিনগরে ২ মাসের ভিজিডি গম পাননি দুস্থ মায়েরা

নওগাঁর রানিনগরে ২ মাসের ভিজিডির গম/আটা থেকে দুস্থরা বঞ্চিত হলো। গত ২৪-২৫ মার্চ চলতি ২০১৩-১৪ সালের ভিজিডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। ফলে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের গম/আটা বিতরণ বন্ধ রয়েছে। গত বুধবার থেকে ভিজিডি কার্ডধারীদের মার্চ মাসের ২৪ কেজি করে চাল বিতরণের কাজ শুরু করা হয়েছে। রানীনগর উপজেলায় ১৬৫২ জনের প্রায় ১শ’মেঃটন গম/আটা খোয়া যেতে পারে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও ভিজিডি কার্ডধারীর মাধ্যমে জানা গেছে, রানীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মোট ১৬৫২ জনের ভিজিডি কার্ডের বরাদ্দ রয়েছে। প্রতিমাসে তাদের জন্য ৩০ কেজি আটা অথবা গমের বরাদ্দ আসে। কিন্ত ২০১৩ সালে নতুন কার্ডের সমস্ত কাগজপত্র সময়মত জমা দেয়া হলেও জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস বাদ দিয়ে শুধু মার্চ মাসের গম/আটার পরিবর্তে ২৪ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে ৮নং মিরাট ইউপির ভিজিডি কার্ডধারীদের মাঝে। এবিষয়ে কাশিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু, সদর ইউপি চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান খান জানান, তারা ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসেই ভিজিডি কার্ডধারীদের তালিকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। তারা আরো জানান, যদি ২ মাসের বরাদ্দ না পাওয়া যায় তাহলে ২ কোটায় প্রায় ১শ’ মেঃটন মাল খোয়া যাবে ভিজিডি কার্ডধারীদের। এ বিষয়ে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা বরুন কুমারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, দুঃস্থ মাতার তালিকা দেরিতে পাওয়ায় ভিজিডি কার্ড বিতরণে দেরি হয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের গম দেয়ার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লেখা-লেখি করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী জানান, আমরা জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তালিকা পেয়েছি অনেক পরে। এছাড়াও তদন্ত করতে সময় লেগেছে। যার জন্য ২ মাসের ডিও দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে মালগুলো নিয়ে আসার জন্য জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।