ভারতীয় পণ্য পরিবহনে সক্ষমতা যাচাইয়ে যৌথ প্রতিনিধিদল আশুগঞ্জে

ভারতীয় খাদ্যপণ্য পরিবহনে আশুগঞ্জ নদীবন্দর ও সড়কপথের সক্ষমতা যাচাইয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশ-ভারত নৌ-প্রটোকল চুক্তির আওতায় আশুগঞ্জ নৌ-বন্দর ব্যবহার করে ভারতের ত্রিপুরাসহ সাতটি রাজ্যে আগামী এপ্রিল মাসের শেষদিক থেকে পরবর্তী তিন মাস সময়ের মধ্যে ১০ হাজার টন খাদ্যপণ্য নেয়া হবে। সেই পণ্য পরিবহনে আশুগঞ্জ বন্দর ও আশুগঞ্জ-আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়কপথ যাচাইয়ে গতকাল রবিবার প্রতিনিধি দল আখাউড়া স্থলবন্দর ও আশুগঞ্জ নৌ-বন্দর পরিদর্শন করেন। গতকাল রবিবার সকালে আখাউড়া স্থলবন্দর ও দুপুরে আশুগঞ্জ নৌ-বন্দর পরিদর্শন শেষে বিআইডব্লিউটিএ’র ভিআইপি জাহাজ তুরাগে একটি যৌথসভা করে এবং জাহাজে ঘুরে মেঘনা নদীর নাব্যতা পরীক্ষা করে প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ভারতীয় আইডব্লিউটিএ’র পরিচালক এমকে সাহা, সচিব প্রদীপ কুমার সাহা ও ভারতীয় ফুড কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার কল্যাণী চক্রবর্তী। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন নৌ-মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ভোলানাথ দে, সড়ক ও জনপথ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব চন্দন কুমার রায়, বিআইডব্লি¬উটিএ সচিব মো. শহিদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ প্রধান প্রকৌশলী জুলহুদ্দিন আহমেদ, বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক আবুল বাশার ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মইদুল ইসলাম, বাংলাদেশ কার্গো ভেস্ল ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বীর প্রতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মো. নাজমুল হোসাইন হামদুসহ ১০ জন। পরিদর্শনের বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিনিধিদলের কেউ সাংবাদিকদের সাথে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।