মির্জাপুরে চার সাব-পোস্ট অফিসের বেহালদশা, গ্রাহক ভোগান্তিতে

মির্জাপুর উপজেলায় পোষ্ট অফিসের কার্যক্রমে হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। রয়েছে তীব্র জনবল সংকট। ফলে এলাকার হাজার হাজার মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচেছ। উপজেলার চারটি সাব-পোষ্ট অফিস ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাড়িয়ে আছে। এই ঝুঁকিপুর্ণ ভবনে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে চলছে দাপ্তরিক কাজ। এ ছাড়া বাকি ৩৮টি উপ ব্রাঞ্চ পোষ্ট অফিসের নিজস্ব কোন জায়গা ও ভবন না থাকায় কার্যক্রম চলছে গাছের নিচে অথবা বাসা বাড়ি এবং হাট বাজারের দোকান পাটের বারান্দায় বলে জানা গেছে। পোষ্ট অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন সরকারি কোন বরাদ্ধ না থাকায় পোষ্ট অফিসগুলোর মেরামত ও সংস্কার না হওয়ায় বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। সোমবার উপজেলার বিভিন্ন পোষ্ট অফিসে সরেজমিন ঘুরে এই বেহাল অবস্থা এবং করুণ চিত্র দেখা গেছে। সুত্র জানায়, একটি পৌরসভা এবং ১৪ টি ইউনিয়নের ৩৩২ টি গ্রামের চিঠিপত্রসহ টাকা পয়সা লেনদেনের জন্য ৪৩টি পোষ্ট অফিস রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান ডাকঘর একটি, সাব-পোষ্ট অফিস চারটি এবং উপ ব্রাঞ্চ পোষ্ট অফিস রয়েছে ৩৮টি। মির্জাপুর সদরের প্রধান ডাকঘর এবং জামুর্কি, মহেড়া, ওয়ার্শিপাইকপাড়া এবং গোড়াই এই চারচি সাব পোষ্ট অফিসের এমন অবস্থা যে এখানে বসে অফিসের কাজকর্ম পরিচালনা করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এসব অফিসগুলো ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় কোন রকমে দাড়িয়ে আছে। সবচেয়ে বেশি করুণ অবস্থা জামুর্কি সাব পোষ্ট অফিসের। এই পোষ্ট অফিসে গিয়ে দেখা গেছে ভবনের ছাঁদ ও দেখাল খসে পড়ছে। ভবনের দেয়ালে শেওলা জমে ভেঙ্গে পড়ছে। এ ছাড়া ছাঁদের উপরে বিছানো রয়েছে পলিথিন। একটু বৃষ্টি হলেই মূল্যবান কাগজপত্র ভিজে নষ্ট হয়ে যাচেছ। এগুলো দেখার যেন কেউ নেই। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা ডেপুটি পোষ্টমাষ্টার জেনারেল মোঃ আলতাবুর রহমান বলেন, এগুলো আধুনিকায়নের জন্য বরাদ্ধ চেয়ে উধর্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্ত বরাদ্ধ না পাওয়ায় ভবন নির্মাণসহ কোন সংষ্কার করা যাচেছ না।