রৌমারীতে ট্রান্সফরমার বিকল বোরো আবাদ হুমকিতে
রাজীবপুর ( কুড়িগ্রাম ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১৬
জামালপুর পল্লী বিদ্যুতের অধীনে রৌমারী উপজেলার চাকতাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ১৫ কেভি’র একটি ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার ১০দিন অতিবাহিত হলেও ওই ট্রান্সমিটার মেরামত বা নতুন ট্রান্সমিটার সংযুক্ত না করায় সেচনির্ভর ২০ একর বোরো আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। সেচ দিতে না পারায় বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে পড়েছে। ওই ট্রান্সমিটারের অধীনে ২টি সেচ পাম্পসহ ১৮টি আবাসিক বিদ্যুত্ গ্রাহক পরিবার অন্ধকারে রয়েছে। এ ব্যাপারে গ্রাহকরা পল্লীবিদ্যুত্ সমিতির কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন করছে। কিন্তু পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ ওই ট্রান্সমিটারের জন্য গ্রাহকদের কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করছে।
চাকতাবাড়ি গ্রামের সেচগ্রাহক আতা এলাহী অভিযোগ করেন, ১৪ মার্চ তাদের এলাকার পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সমিটারটির ফিউজ পুড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে পল্লী বিদ্যুতের রৌমারী অভিযোগ কেন্দ্রকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। গ্রাহকরা দ্রুত বিকল ট্রান্সমিটারটি জামালপুর পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি কার্যালয়ে নেয়। ওই অফিসের কর্মকর্তারা তাদেরকে জানিয়ে দেয় এই ট্রান্সমিটার আর সচল করা যাবে না। নতুন ট্রান্সমিটার লাগবে। এজন্য তাদেরকে ৭০ হাজার টাকা দিতে হবে। ওই টাকা না দিলে ট্রান্সমিটার দেয়া হবে না।
এই ট্রান্সমিটারের আওতায় দুইটি সেচ পাম্প রয়েছে। এতে ২০ একর বোরো ধান ক্ষেতে সেচ দেয়া হয়। ৭০ হাজার টাকা এখন কে দিবে। এর মধ্যে ট্রান্সমিটার নিয়ে জামালপুরে যাতায়াতসহ অন্যান্য প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সেচ না দেয়ায় ক্ষেত শুকিয়ে গেছে।
পল্লী বিদ্যুতের রৌমারী অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ জাকারিয়া মিন্টু বলেন, ‘তাদেরকে ট্রান্সমিটার কিনে নিতে হবে। এতে প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ হবে।’ জামালপুর পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারে আবু বক্করের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আবাসিক গ্রাহক হলে আমরা ফ্রি ট্রান্সমিটার দিতাম। কিন্তু ওই ট্রান্সমিটারের অধীনে সেচপাম্প রয়েছে সেজন্য ট্রান্সমিটার তাদের কিনে নিতে হবে।