জামায়াত নিষিদ্ধ করতে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার :হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ জামায়াতকে দেশের দুশমন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, জামায়াত ও শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে সরকার শিগগিরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। কারণ দেশে অব্যাহত সন্ত্রাস, নাশকতা ও জঙ্গী কর্মকাণ্ড থামাতে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার এখনই সময়। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশা বলাকা ভবনের সামনে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত হরতাল বিরোধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত সোমবার রাজশাহীতে জামায়াত-শিবির ক্যাডাররা পুলিশ সদস্যের উপর যে মধ্যযুগীয় বর্বর হামলা করেছে তারপর আর ঘরে বসে থাকা যায় না। এদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিএনপি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা নাটক করে হরতাল করে। হরতালের আগের দিন তাদের গুলশান অফিসে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে নিজেরা ককটেল ফাটায়, বিক্ষোভ করে, তারপর অন্যের ঘাড়ে দোষ দিয়ে হরতাল ডেকেছে। প্রতিটি হরতালের আগেই তারা এমন নাটক করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপির গুলশান অফিসে তারা নিজেরাই গুলি বর্ষণ করেছে। আওয়ামী লীগ এত নির্বোধ নয় যে, বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গুলি করে তাদের হাতে রাজনৈতিক অস্ত্র তুলে দেবে। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস করে না। আমাদের অবস্থান সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। বিরোধী দলীয় নেত্রীর সমালোচনা করে হানিফ বলেন, রাজশাহীতে পুলিশের ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলার পরও খালেদা জিয়া নিন্দা জানাননি। এতে পরিষ্কার হয়ে গেছে, খালেদার নির্দেশেই সেখানে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। তবে দেশের জনগণ বিএনপি-জামায়াতের এ নৈরাজ্য রুখে দেবে। তিনি বলেন, জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় খালেদা জিয়ার পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে গেছে। তাই তিনি সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রশিবিরের ওপর ভর করেছেন। শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হক মন্টুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম প্রমুখ।