পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান থাকছে
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০১৩, ২২:২৬
পাকিস্তানের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান থাকছে। দেশটির নির্বাচন কমিশন গতকাল বুধবার ‘না’ ভোটের বিধান রাখার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাউকে ভোটারদের পছন্দ না হলে তারা ‘না’ ভোট দিতে পারবে। খবর ডন-এর
পাকিস্তানে এবারই প্রথম ‘না’ ভোট দেয়ার বিধান রাখা হচ্ছে। ব্যালট পেপারে সব প্রার্থীর নামের শেষে ‘উপরের কাউকে না’ উল্লেখ থাকবে। কোন প্রার্থীকে ভোট দিতে না চাইলে ভোটাররা এই ঘরে তাদের মতামত জানাতে পারবে। কর্মকর্তারা জানান, কোন আসনে ৫১ ভাগ ভোটারের ‘না’ ভোট পড়লে সেই আসনে পুনঃনির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোটারের উপস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিব ইশতিয়াক আহমেদ খান জানান, ‘না’ ভোটের বিষয়ে প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারির জন্য বিষয়টি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী মির হাজার খান খোসোর কাছে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এবারই প্রথম পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছে। সব প্রদেশেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছে। কমিশন সচিব আরো বলেন, সব রাজনৈতিক দল ও জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। প্রবাসী পাকিস্তানিদের ভোট দেয়ার বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। পার্লামেন্টের সাবেক ২৪ জন সদস্যের ভুয়া শিক্ষা সনদের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে জবাব দিতে নোটিস দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১৮৯ জন সদস্যের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে যাদের ভুয়া শিক্ষা সনদের অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়নি।
এদিকে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি দলের ৬৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। তার বাবা প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও ফুফুর সঙ্গে বিরোধে বিদেশে চলে গেলেও তিনি আবার দেশে ফিরে আসেন।