মংলায় দু’দিনের
ব্যবধানে দু’ শিশুর শ্লীলতাহানি
প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০১৩, ২০:৪৯
মংলা সংবাদদাতা
মংলায় দু’দিনের ব্যবধানে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে দু’ শিশু কন্যা। পৃথক এ দু’ঘটনায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ এক ধর্ষককে আটক করতে পারলেও অপর লম্পটকে আটক করতে পারেনি। পুলিশ জানায়, মংলার চিলা ইউনিয়নের তেলিখালী এলাকার এক দিনমজুর গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে নারী শ্রমিক হিসেবে মাটি কাটার কাজ করেন। মঙ্গলবার দুপুরে কাজ থেকে ফিরে বিকেলে তার একমাত্র শিশু সন্তানকে গ্রাম্য পাঠশালায় পাঠায়। ৪টায় ওই শিশু পাঠশালা থেকে ফিরতে দেরি হওয়ায় তার মা তাকে খুঁজতে বেরিয়ে নাম ধরে ডাকাডাকি শুরু করে। এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী তারাপদ রায়ের বাড়ীর মধ্য হতে শিশুটি মায়ের ডাকে সাড়া দেয়। মা ওই বাড়ীতে ঢুকে দেখতে পায় তার মেয়ে তারাপদ রায়ের ছেলে সুজয় রায়ের (১৪) ঘর হতে রক্তাক্ত অবস্থায় বের হয়ে আসছে। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করে থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার পর পুলিশ ধর্ষক সুজয়কে আটক করে বুধবার আদালতে পাঠিয়েছে। অপরদিকে মংলা শহরতলীর কানাইনগর গ্রামের সিদ্দিক হাওলাদারের পুত্র বাবলু (২৫) একই গ্রামের মিশনারী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর এক গরীব ছাত্রীকে গত ৩১ মার্চ নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টাসহ যৌন নির্যাতন করে। ওই ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে বাবলু তাকে কাজের নামে বাড়িতে ডেকে তার নিজ কন্যাকে গোসল করতে পাঠিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ছাত্রীর আর্ত-চিত্কারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে লম্পট বাবলু গা ঢাকা দেয়। এ ব্যাপারে গত ১ এপ্রিল মংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হলেও পুলিশ গতকাল বুধবার পর্যন্ত লম্পট বাবলুকে আটক করতে পারেনি।