প্রেসিডেন্টের ভাষণ লেখক ২২ বছরের তরুণী
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:২৮
মাত্র ২২ বছর বয়সে কেনিয়ার নাগরিক জুলি ওয়াংওমবের নামক এক তরুণী দেশের ইতিহাসে ছোট হলেও একটি উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিয়েছেন। সম্প্রতি কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘উহুরু কেনিয়াত্তা’ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। কিন্তু সর্বপ্রথম দেশবাসীর উদ্দেশ্যে যে বিজয় ভাষণ দেন, তা লেখার পেছনের পুরো কৃতিত্বই তরুণী জুলির। বর্তমানে দেশটির চলমান বিরোধের জের ধরে সমঝোতার সুর মিশ্রিত ভাষণটি উপস্থিত সকল দর্শকদের দারুণ প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তা তার লেখা ভাষণটি যখন জনসন্মুখে পাঠ করছিলেন তখন ঐ মুহূর্তে তার অনুভূতি কেবল এইভাবেই প্রকাশ করেন, ওই মুহূর্তে ঠিক একটা কথাই আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল তা হলো, টেলিভিশন সম্প্রচারের টেলিপ্রম্পটরে হঠাত্ কোন বিঘ্ন ঘটে যেন আমার সকল পরিশ্রম ভেস্তে না দেয়। আবেগআপ্লুত জুলি আরোও বলেন, প্রেসিডেন্টের ভাষণের সময় তিনি যেন আকাশে উড়ছিলেন, আর বারবার মনে করার চেষ্টা করছিলেন লেখার কোথাও কোন ভুল হয়েছে কি না। তবে তার আত্মবিশ্বাস ছিল যে, ভাষণটা ভাল হবে কারণ প্রেসিডেন্ট বহুবার লেখাটি পড়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের ভাষণটি লেখার পেছনে যে দলটি কাজ করেছে তা একমাত্র তারুণ্যনির্ভরতারই ফসল স্বরূপ, যা দেশকে ভালবেসে কিছু দেয়া। বয়স কম হলেও ভাষণটি রচনায় জুলিকে সহায়তায় দলটির আন্তরিকতার এবং দায়িত্বের ব্যাপারে সচেতনতার কমতি ছিল না। প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে বসে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় নিয়ে ভাষণটি তৈরি করেছিল তারা। চূড়ান্ত হওয়ার পূর্বে বহুবার খসড়া লিখতে হয়েছে জুলিকে, যা থেকে প্রেসিডেন্ট তার পছন্দ মতো কাটা ছেঁড়া করে সংশোধন করে দিয়েছিলেন। জুলি জানান, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কেনিয়াত্তা একজন ভাল বক্তা, যার ফলে তাকে খুব বেশি একটা মহড়া দিতে হয়নি।