আহসানউল্লাহ মাস্টারের ১৫তম শাহাদতবার্ষিকী আজ

আজ ৭ মে প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা, শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক এমপি আহসানউল্লাহ মাষ্টারের ১৫তম শাহাদতবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলের হায়দরাবাদ গ্রামে শহীদ আহসানউল্লাহ মাষ্টারের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন। এ ছাড়া মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। মহানগর আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান দিনব্যাপী পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

২০০৪ সালের এই দিনে একদল সন্ত্রাসী টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আহসান উল্লাহ মাষ্টারকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার এমপি হত্যা মামলার রায় হয়। রায়ে ৩০ জন আসামির মধ্যে দুইজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। প্রধান আসামি বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়। ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুইজন আসামি মারা গেছেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১৫ জুন সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ এক রায়ে ছয়জন আসামির মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল এবং ১১ জনকে খালাসের আদেশ দেন। মামলার বাদি মতিউর রহমান মতি জানিয়েছেন বর্তমানে এ মামলার প্রধান আসামিসহ ১১ জন বিভিন্ন কারাগারে এবং আটজন পলাতক রয়েছেন।

শহীদ আহসানউল্লাহ মাষ্টারের বড় ছেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি গ্রামের বাড়ি হায়দরাবাদসহ টঙ্গী ও গাজীপুর ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠসহ বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগসহ সকলকে শহীদ আহসানউল্লাহ মাষ্টারের শাহাদতবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। শহীদ আহসানউল্লাহ মাষ্টার স্মৃতি পরিষদ, ভাওয়াল আইডিয়াল একাডেমি ও ভাওয়াল শিশু কিশোর ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান মরহুমের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া  মাহফিলের আয়োজন করেছে।