স্কুলছাত্র শুভ হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআইতে নেওয়ার দাবি মায়ের

ইত্তেফাক রিপোর্ট

স্কুলছাত্র শুভ হত্যা ও লাশগুমের মামলায় প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন একজন অসহায় মা। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছেলে হত্যার মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে নেওয়ার দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে ফেনী সদর উপজেলায় দক্ষিণ কাশিমপুর পাঁচগাছিয়া গ্রামের ইমাম হোসেনের স্ত্রী খোদেজা বেগম জানান, তার বড় ছেলে আরাফাত হোসেন শুভ গত ৩১ মার্চ নিখোঁজ হয়। সাতদিন পর শুভর সহপাঠী ইসমাইল হোসেন ইমনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ফেনীর তেমুহনী বাজারে শামসুদ্দিন স্টোর ও ঝর্ণা ইলেকট্রিক দোকানের পেছনে কলাগাছের ঝোপ থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার পর পুলিশ ইমনের জবানবন্দি নেয়। হত্যাকাণ্ডে প্রেমকুমার, কাঞ্চন ও নাইমুদ্দিনসহ ৮-১০ জন জড়িত বলে জানায়। পুলিশ আটজনকে আটক করে পরে ছেড়ে দেয়। রহস্যজনভাবে শুধু ইমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করে। এতে ইমন একাই শুভকে হত্যা করেছে বলে দাবি করে। যার সঙ্গে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দির কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, জমি ও পারিবারিক বিরোধের প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। থানা পুলিশ যেভাবে তদন্ত করছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাই আমরা পিবিআইকে দিয়ে মামলাটির পুনঃতদন্তের জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন শুভর চাচা ইসমাইল হোসেন, নানি আয়েশা বেগম, ছোট বোন ফাতেমা আক্তার ও ভাই সাইমন হোসেন।