বায়রা বিদেশে লোক পাঠায় না, ওরা ভাঁওতাবাজি করছে

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন ‘বায়রা’ জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি করছে বলে অভিযোগ প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বায়রার ধর্মঘটের কারণে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ অভিযোগ করেন। মন্ত্রী বলেন, বায়রার এ ধরনের ধর্মঘট করার কোনো নৈতিক ও আইনী অধিকার নেই। তাদের এ ধর্মঘটে জনশক্তি রপ্তানি খাতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে দাবি করেন তিনি। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বায়রা যে দাবি করে তারা বিদেশে লোক পাঠায়, এটি সত্য নয়। বায়রা বিদেশে লোক পাঠায় না। বায়রা হচ্ছে রিক্রুটিং এজেন্টদের (নিয়োগকারী সংস্থা) একটি সংগঠন। রিক্রুটিং এজেন্টগুলো আমাদের প্রতিনিধি। কাজেই আমরা যেভাবে বলব, প্রতিনিধিদের সেভাবেই চলতে হবে। মালায়শিয়ায় অতিরিক্ত খরচে লোক পাঠাতে না পেরে তারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০০৭-০৮ সালে সেখানে বায়রার সদস্যদের প্রতারণার কারণে ২০০৯ সালের মার্চে এই বাজার বন্ধ হয়েছিল। এরপর বাজার খুলতে মালয়েশিয়া সরকারিভাবে লোক পাঠানোর শর্ত দেয়। এ কারণেই সরকারিভাবে লোক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খন্দকার মোশাররফ বলেন, বায়রা দাবি করেছে, আমরা মালায়েশিয়ায় লোক পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছি। এটি ডাহা মিথ্যা কথা। জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) যেহেতু দুই দেশের জন্যই নতুন, কাজেই এই প্রক্রিযা শেষ করতে সময় লাগছে। এ কারণে ২৭ মার্চ লোক পাঠানোর কথা থাকলেও সেটি হয়নি। মন্ত্রী আশা করেন চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে মালায়শিয়ায় লোক যাওয়া শুরু হবে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিম রেজাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।