চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

স্বপ্নের পথে ওরা

মেধাবী সন্তানদের মা মিসেস মমতাজ বলেন, প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর আগ্রহ তাদের সফলতার কারণ। এর জন্য আত্মীয়-স্বজন শুভানুধায়ীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলতে চাই আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন হুমায়রা জাহান স্বপ্ন। কিছুটা পথ হেঁটে যাওয়া। অতঃপর পথের মাঝে পথ হারানো। স্বপ্নভঙ্গ, এরপর সাহস করে স্বপ্নের সংজ্ঞাটাই পাল্টে দেওয়া। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে মগজ খাটিয়ে, চোখ-কান খোলা রেখে স্বপ্ন দেখা। সময়ের স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোকে কুড়িয়ে নিয়ে এক সুতোয় গাঁথা। আর এগিয়ে যাওয়া আগামীর পথে। বলছিলাম তিন সহোদর ভাই মুহাম্মদ সাইফ উল আলম, মুহাম্মদ সামিউল আলম, মুহাম্মদ মাহবুব উল আলমদের কথা। তারা তিন ভাই পড়ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আর তাদের মা মিসেস মমতাজ হক মেধা, পরিশ্রম করে তাদের পৌঁছে দিয়েছে সফলতা উচ্চ শিখরে। প্রতিটি মানুষ স্বপ্ন পালন করে বেঁচে থাকে। তার স্বপ্নই তাকে নিয়ে যায় অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে। যদি তার থাকে অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং এগিয়ে যাবার প্রচেষ্টা ও তাড়না, সেই মানুষগুলো সাফল্যের দেখা পায়। যার প্রমাণ আজ তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন কৃতিত্বের সাথে। অথচ ১৯৯৭ সালে তাদের বাবা মারা যান। বাবাকে হারিয়ে পারিবারিকভাবে গভীর সংকটের মুখে পড়েন। সফল ও মমতাময়ী মায়ের মেধাবী রঙের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে ওঠে তাঁর সন্তানদের ভবিষ্যত্। তাঁর একক প্রচেষ্টায় আত্মীয়-স্বজনদের ছেলে-মেয়েদের চেয়ে অসাধারণ অবস্থান তাঁর সন্তানদের। এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে আজ তাঁর সন্তানরা যথাক্রমে পড়ছেন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতায়, আইন বিভাগে ও ইনস্টিটিশন শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণে।