হেফাজতে ইসলামের প্রতিবাদ

৮৫ কোটি টাকার লেনদেনের গল্প গাঁজাখুরি

বিভিন্ন মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে ঘিরে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার প্রতিবাদ জানিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম। সংগঠনের ঢাকা মহানগর প্রচার সেলের প্রধান মাওলানা আহলুল্লাহ ওয়াসেল গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, এই আওয়ামী নেতা সকল নীতি নৈতিকতা, মানসিক শুদ্ধতাকে বিসর্জন দিয়ে যে হীন ও নিচু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা শুনলে হয়তো আওয়ামী লীগাররাও লজ্জা পাবে। আজগুবি গল্প ফেঁদে তিনি বলেছেন, হেফাজত ইসলামীর লংমার্চ কর্মসূচিকে ঘিরে নাকি ৮৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এর মধ্যে ৪৫ কোটি টাকা নাকি হেফাজতে ইসলামের নেতারা নিয়েছেন। আমরা পরিষ্কার বলছি, হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। দ্বীন ও ঈমান রক্ষার আন্দোলন, ইসলাম হেফাজতের আন্দোলন। এই আন্দোলনের সাথে কোন রাজনৈতিক স্বার্থ বা কোন রাজনৈতিক ইস্যু জড়িত নয়। কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো বা ক্ষমতায় বসানো এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য নয়। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক শান্তিপূর্ণ ও অহিংস একটি আন্দোলন। আমাদের এ দাবি যে সত্য ও সঠিক তা গত ৬ এপ্রিলের লংমার্চ ও মহাসমাবেশের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। সারাদেশে সরকারি প্রশাসনের এবং আওয়ামী ক্যাডারদের প্রচণ্ড বাধা ও সহিংস আচরণকে উপেক্ষা করেও ২০ লক্ষাধিক মানুষের এ মহাসমুদ্রে অশান্তি সৃষ্টির কোন ঘটনা ঘটেনি। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। দ্বীন ও ইসলামের উপর আঘাত এবং আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে পুঞ্জিভূত ক্ষোভের সামান্য বহিঃপ্রকাশ ছিল এ সমাবেশ। যা আওয়ামী লীগের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। তাই নিজেদের অসহায়ত্ত ঢাকার জন্য এখন হানিফ সাহেবের মত আওয়ামী নেতারা যা ইচ্ছে তাই প্রলাপ বকতে শুরু করেছেন।