থ্যাচারের আদর্শ অনুসরণে এদেশেও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দলগুলো একযোগে কাজ করতে পারে
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৩
ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন বলেছেন, প্রয়াত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লৌহমানবী মার্গারেট থ্যাচারের রাজনৈতিক ও জীবনাদর্শ অনুসরণ করে বাংলাদেশেও ঐক্য, শান্তি, সাম্য, সহিষ্ণুতা প্রতিষ্ঠা করা যায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো এসব লক্ষ্য অর্জনে একযোগে কাজ করতে পারে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বারিধারায় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। প্রয়াত মার্গারেট থ্যাচারের মৃত্যুতে খোলা শোক বই এ স্বাক্ষরের পর হাইকমিশনার বলেন, ব্যারনেস থ্যাচারের মৃত্যুতে ব্রিটেন ও সারা বিশ্ব একজন মহান নেতাকে হারাল। বেশিরভাগ রাজনীতিবিদ বিশ্বকে পরিবর্তন করতে চান কিন্তু খুব কম রাজনীতিকই তা করতে পারেন। মার্গারেট থ্যাচার সেই স্বল্প রাজনীতিকের অন্যতম, যিনি পরিবর্তন এনেছেন। তিনি রক্ষণশীলতার মধ্যে ভিন্নধর্মী গতিশীল বাজার অর্থনীতি প্রচলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তার সমর্থনে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ত্বরান্বিত হয় ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে গণতন্ত্রের প্রসার ঘটে। তিনি প্রধানমন্ত্রী হবার সময় ব্রিটেনে আত্মবিশ্বাস ছিল না। তার দৃঢ়তা, স্পষ্টতা ও দিক-নির্দেশনায় ব্রিটেন অনেক চ্যালেঞ্জ উত্তরণ করে। হাইকমিশনার আরো বলেন, মার্গারেট থ্যাচার ক্ষমতা ছাড়ার সময় ছিলেন তার সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক। ব্রিটেনও ছিল পরিবর্তিত একটি দেশ, ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী। তিনি গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, আত্ম প্রত্যয়, আত্ম নির্ভরতার চ্যাম্পিয়ন এক ব্যক্তিত্ব।