সাহিত্য বিশ্ব

শেক্সপিয়রের অন্যরকম জীবন অ্যাবারিয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষক শেক্সপিয়রের আরেক জীবনের সন্ধান দিয়েছেন। তত্কালীন কোর্ট ও রাজস্ব বিভাগ থেকে প্রাপ্ত দলিল-দস্তাবেজ পর্যালোচনা করে তাঁরা প্রমাণ করেছেন, শেক্সপিয়র ধনাঢ্য জোতদার ছিলেন। তাঁকে মাঝে মাঝে কোর্টে হাজিরা দিতে হতো অবৈধভাবে খাদ্য মজুত করে বেশি দামে বিক্রির দায়ে। কর না দেওয়ার কারণেও তাঁকে জেলে যাওয়ার পরিস্থিতিতে পড়তে হতো বারবার। জায়ান আর্কার বলেন, ‘শেক্সপিয়র ছিলেন পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী। তিনি কর ফাঁকি দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করতেন। অন্যদের মতো বিনিয়োগ করলেও বেশি লাভ চাইতেন।’ গবেষণায় জানা গেছে, শেক্সপিয়র দুর্ভিক্ষের সময় গম, ভুট্টা তুলে রেখে পাশের বাজারে বেশি দামে বিক্রি করতেন এবং প্রাপ্ত লভ্যাংশ দিয়ে জমি কিনতেন। এভাবেই তিনি ২৪ বছরে স্ট্রাটফোর্ডের অ্যাভোন গ্রামের সবচেয়ে ধনাঢ্য ব্যক্তি বনে যান! আরবিতে অনূদিত হলো মো ইয়ানের উপন্যাস নোবেল বিজেতা মো ইয়ানের উপন্যাস ‘বুল’ অনুবাদ করেছে মিশরের ‘জেনারেল এজেন্সি ফর কালচারাল প্যালেস’। মিশরের অনুবাদক মোহসেন ফেরগানি উপন্যাসটির আরবি অনুবাদ করেন। এতে মিশরের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় অর্থায়ন করেছে বলে জানানো হয়েছে। আরবি অনুবাদে ফেরগানির ভূমিকা চীনা সাহিত্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যে, তা পাঠককে চীনের ব্যতিক্রমী সাহিত্যের সাথে পরিচিত হতে উদ্বুদ্ধ করে। জার্মান বংশোদ্ভূত ঔপন্যাসিক অস্কার বিজেতা রুথ প্রাওয়ার ঝাব্বালার মৃত্যু অস্কার বিজেতা রুথ প্রাওয়ার ঝাব্বালা গত ৩ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর ম্যানহাটানের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি মার্চেন্ট আইভরি চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। মিসেস ঝাব্বালা ‘হেলথ অ্যান্ড ডাস্ট’ উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার পান। ফর্স্টারের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি চলচ্চিত্র ‘এ রুম উইথ এ ভিউ’র চিত্রনাট্যের জন্য ১৯৮৬ সালে ঝাব্বালা অস্কার লাভ করেন। সর্বাধিক বিক্রিত ছোটগল্পের সংকলন ‘লাভ স্টোরিজ দ্যাট টাচড মাই হার্ট’ ভারতের পেঙ্গুইন প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে ছোটগল্পের ব্যবসাসফল সংকলন ‘লাভ স্টোরিজ দ্যাট টাচড মাই হার্ট’। সংকলনটির সম্পাদক জনপ্রিয় কল্পলেখক রবিন্দর সিং বলেন, ‘এ বইয়ে আমি সৃষ্টিশীল লেখাগুলোকে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করতে চেয়েছি। আর এ কারণেই পেঙ্গুইন প্রকাশনার স্বত্বাধিকারী উদয়ন মিত্র গ্রন্থটি প্রকাশ করতে রাজি হন। তোলা হলো নেরুদার দেহাবশেষ বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ ওঠায় চিলির নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কবি পাবলো নেরুদার মৃত্যুর চার দশক পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাঁর দেহাবশেষ তোলা হয়েছে। পাবলো নেরুদা ১৯৭৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ৬৯ বছর বয়সে মারা যান। সে সময় তাঁর মৃত্যুর সনদে লেখা হয়, তিনি প্রোস্টেট ক্যানসারে মারা গেছেন। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বুলেটিনে জানায়, তিনি হার্ট ফেইলিওরে মারা যান। নেরুদার মৃত্যুর কারণ হিসেবে এ বিষয়কেই চার দশক ধরে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী ম্যানুয়েল অ্যারেইয়া সাম্প্রতিককালে দাবি করেন নেরুদাকে ইনজেকশনের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলা হয়। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর দেহাবশেষ তোলা হয়। নেরুদার দেহাবশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার দায়িত্ব পাওয়া ভিসেরা বিশেষজ্ঞরা মূলত তাঁর হাড়গোড়ে ক্যানসারের প্রমাণ মেলে কি না বা বিষের লক্ষণ মেলে কি না—এই দুটি বিষয়কে সামনে রেখে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন।