ধামরাইয়ে ৫ মাস পর অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলল

উপজেলার জামিরাবাড়ি গ্রামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর-২ অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর নিজ বাড়ির গোয়াল ঘরের ভেতর রাখা লাশের পরিচয় ৫ মাস পর পাওয়া গেছে। নিহতের নাম শহিদ আলী; পিতা বহুত আলী, গ্রামের বাড়ি হাটুরিয়া,থানা বেড়া, জেলা পাবনা। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় বাদশা মিয়া নামের একজনকে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, ২০১২ সালের ১৪ অক্টোবর রাতে সংঘবদ্ধ একদল চোর উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের জামিরাবাড়ি গ্রামের পার্শ্বে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরি করতে এলে শহিদ আলী বিদ্যুতের খুঁটির উপরে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। চুরির ঘটনা জানাজানি হবে বলে সঙ্গীরা তাকে গলাটিপে হত্যা করে। শহিদ আলীকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে মর্মে ৩১ অক্টোবর ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে ধামরাই থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ ৫ মাস তদন্তের পর নিহতের মা রওশনারা বেগম লাশের পরিচয় নিশ্চিত করলে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী বাদশা মিয়া (২২) নামের এক আসামিকে সাভারের কাঠগড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।