বায়রা-মন্ত্রণালয় সম্পর্কের অবনতি, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৮
সরকারিভাবে জনশক্তি রপ্তানিকে কেন্দ্র করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাথে রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার (বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি) বিরোধ জটিল হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে বায়রা ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সম্পর্কের এই অবনতি জনশক্তি রপ্তানি কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে বায়রার সভাপতি ও মহাসচিবের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যে মামলা হয়েছে, তাকে উদ্দেশ্যমূলক আখ্যা দিয়ে এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বায়রা নেতৃবৃন্দ। বিএমইটির মহাপরিচালক বেগম শামছুন্নাহার গতকাল সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘বায়রার নেতারা বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিএমইটিতে এসে কর্মচারীদের মারধর করে পাসপোর্ট ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন। এ সময় তারা বহির্গমন শাখার কর্মকর্তাদেরও হুমকি দিয়েছেন। বায়রা সভাপতি ও মহাসচিবের নেতৃত্বেই এ হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে।’
এদিকে বিএমইটি’র এসব অভিযোগকে নির্জলা মিথ্যা উল্লেখ করে বায়রা সভাপতি মো. শাহজালাল মজুমদার বলেন, ‘আমাদের কেউ বিএমইটিতে সরকারি কাজে বাধা, ভাংচুর এবং কাউকে আঘাত বা খুনের চেষ্টা করেনি। মন্ত্রণালয় এবং ব্যুরোর বিরুদ্ধে আমরা কখনও বেআইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করিনি। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যমূলক। জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতেই এ মামলা করা হয়েছে।’ গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাহজালাল মজুমদার এসব কথা বলেন।
এদিকে বায়রা ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি জনশক্তি রফতানি খাতকে ব্যাহত করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাই অর্থনীতির স্বার্থে বিরোধের অবসান ঘটানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। কারণ অর্থনীতির ক্রান্তিকালে রেমিট্যান্সই বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা।