খরা ও রোগবালাই সহনশীল গম চাষে আগ্রহী কৃষক

উন্নত জাত, খরা ও রোগবালাই সহনশীল বারি গম-২৬ কর্তন উপলক্ষে বুধবার কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের প্রসাদকালোয়া গ্রামে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এই উন্নতজাত গম সমপ্রসারণের লক্ষ্যে প্রত্যন্ত প্রসাদকালোয়া গ্রামের কৃষক স্বপ্না রায় (৪০) তার ২৮ শতক জমিতে রোপণকৃত গম কর্তন করা হয়। এতে কারিগরি সহায়তা প্রদান করে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর ও কেয়ার বাংলাদেশ এবং আর্থিকভাবে সহায়তা করে স্থানীয় এনজিও সলিডারিটির সৌহার্দ্য-২ কর্মসূচি। কৃষক মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে কৃষক হামিদা বেগমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক প্রতীপ কুমার মন্ডল, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মজনুর রহমান, উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অফিসার শহীদুল ইসলাম, কাঁঠালবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন মঞ্জু, সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশীদ লাল, কেয়ার সৌহার্দ্য-২ কর্মসূচির প্রজেক্ট অফিসার লাইজু বেগম, পিএম তারজিনা আক্তার, সফিউল আলম রাজু, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। কৃষক স্বপ্না রায় তার অনুভুতি প্রকাশ করে জানান, এই প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যতিক্রমী বারি-২৬ জাতের গম প্রথম চাষ করেছি। সবচেয়ে কৃষকরা লাভবান হবেন খরা এবং পোকামাকড় সহনশীল এই গম আবাদ করে। ২৮ শতকে গম উত্তোলন পর্যন্ত আমার খরচ হবে ২ হাজার আটশত টাকা। ১১০ দিনে গম কর্তন করে ১৫ মণ গম পাবো বলে আশা করছি। বর্তমান ৮শত টাকা বাজার মূল্য হিসেবে ১২ হাজার টাকায় গম বিক্রি করা যাবে।