ভ্রান্তিহীন মোমবাতি

চতুর্দিকে অদৃশ্য অন্ধকারের ধাবমান বিস্তৃতি তারই ভেতর কাঁটাওয়ালা কীট নরকের বাড়ায় থাবা! আঁশটে গন্ধ মুখে শ্যামল মাটিতে বুনে মরুভূমি স্তব্ধ করে দিতে চায় মানুষের পরিচয় স্পন্দন। ঢেকে দিতে চায় ওরা নদী কালো কালিমায় । কী আকাঙ্ক্ষা তাদের - সবকিছু ঢেকে যাক কালোয় .... এ বায়ু, বন, মৃত্তিকা, আমাদের সকল শস্য সম্ভার শিশুর হাসি আর জননীর জোছনা ধবল দুগ্ধ ওমোন মায়া । অকেজো করে দেবে তারা নাকি মন, বাঁশি, ঢোল করতাল, সুর তাল লয়—বৈশাখী বৃক্ষ ছায়ায় আমাদের সঞ্চয় । কিন্তু আমি তো আলোর প্রত্যাশী চিনি না আঁধার .... মানি না তাহাদের দীর্ঘ দীর্ঘ ঘোর অন্ধকার সারি বিষ নিঃশ্বাসে গড়া প্রবল কালো বাহুর ভঙ্গুর বিস্তার । দ্যাখো এখানে এখন আমি প্রজ্বলন করি মোমবাতি .... যে জানে হটিয়ে ছায়া আলোর বিচ্ছুরণে ভরে দিতে আকাশ নদী ঘর গেরস্থালি নিকোনো উঠোন আর প্লাবনের মাটি।