আগামী ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা

নবগঠিত গাজীপুরসহ দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। এ ছাড়া এ বছরের ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তবে বেশি হলে ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুতেই এ নির্বাচন শেষ করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন বলছে। গতকাল নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব ড. মোহম্মদ সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, সংসদ সচিবালয় থেকে এ ধরনের প্রস্তাবনা তৈরি করে তা কমিশনের কাছে দেয়া হলে কমিশন তা গ্রহণ করেছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানায়, টঙ্গি ও গাজীপুর পৌরসভাকে মিলিয়ে তৈরি গাজীপুর সিটি করপোরেশন, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। একইদিনে এসব সিটি করপোরেশনে ভোট হবে। নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, চলতি মাসের শেষে অথবা মে মাসের প্রথমার্ধে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একইদিনে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন হলে আইন-শৃংখলা রক্ষার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। তিনি জানান, প্রতিটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আংশিকভাবে ইভিএমে ভোট নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ দিকে আগামী বছরের ২৫ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের মেয়াদের অবসান হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সমপ্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেছেন, ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সংসদ ভেঙ্গে দেয়া হবে। অর্থাত্ আন্দোলন সংগ্রাম যাই হোক ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের ভাবনা-প্রস্তুতি সরকারের মধ্যে রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানায়, তারা এ বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদের পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে। ইতিমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। আগামী মে মাসের মধ্যে সংশোধিত সীমানা নির্ধারণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন অবশ্য বলছে, কোনো রাজনৈতিক হিসাব-নিকেষ থেকে নয়। মেয়াদ অবসানের কারণে এসব সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।