‘কারিগরি প্রশিক্ষণ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়’

সম্প্রতি ইলেকট্রিক সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএসএসএবি) কর্তৃক আয়োজিত ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক বাংলাদেশ (আইএবি) সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হলো ন্যাশনাল ফায়ার প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়ান (ইউএসএ) প্রশিক্ষক দ্বারা ‘এনএফপিএ-২০’ তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।  ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মে  প্রতিদিন সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।

অগ্নিনির্বাপক কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৌশলী, বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ফাইটার ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মোট ৪৫ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার করে, বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে সকল প্রকার অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবিলা করার জন্য নিজেরদের প্রস্তুত করাসহ সারাদেশে অগ্নিনির্বাপণের অভিজ্ঞ লোকবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং অগ্নিনির্বাপণের অত্যাধুনিক যন্ত্র সামগ্রী পরিচালনা ও প্রতিস্থাপন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রশিক্ষক হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনার আইয়াদ-ই-নাবি ( ইউএসএ)।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী দিনে সকল প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়, যাহাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক বাংলাদেশ (আইএবি)-এর প্রেসিডেন্ট আর্কিটেক্টড জালাল আহম্মেদ, বিশেষ অতিথি ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স বাংলাদেশের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ইলেকট্রিক সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট মোতাহার হোসাইন খান।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ইলেকট্রিক সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সকল কার্যকরী পরিষদের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন এবং ইলেকট্রিক সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত অতিথিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ইসাবের পরিচালক ও প্রচার সম্পাদক জাকির উদ্দিন আহম্মেদ জানান, এই ধরনের প্রশিক্ষণ বাংলাদেশে তৃতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো। বর্তমানে ১০০ জনের বেশি এনএফপিএ-এর সার্টিফাইড প্রকৌশলী ও সাধারণ ব্যক্তি রয়েছে, যা আমাদের দেশের জন্য খুবই গর্ভের ব্যাপার।