কেনিয়ায় ৮০ ভাগ নারীই খামারে কাজ করে

কেনিয়ায় প্রায় আশি ভাগ নারী খামারে চাষবাস করেন। বিশ্বব্যাংক সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, প্রায় অর্ধেক নারীই এসব খামারের মালিক নন। মালিক হচ্ছেন তাদের স্বামী, যারা চাকরির আশায় গ্রাম ছেড়ে শহরে গিয়ে থাকছেন। খবর ডয়চে ভেলের। জমির মালিকানা না থাকায় নারীদের নানান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যেমন তারা কোনো সমিতির সদস্য হতে পারছেন না। অথচ সেটা সম্ভব হলে ফসল উত্পাদন ও বিক্রি বাড়াতে সমিতি থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারতেন তারা। এছাড়া জমির মালিকানা না থাকার কারণে ব্যাংক থেকে ঋণও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে উত্পাদন বাড়াতে নতুন প্রযুক্তি কেনা এবং অন্য কারো সাহায্য নেয়ার মত সুযোগ পাচ্ছেন না নারী কৃষকরা। ২০১০ সালে সংবিধান সংশোধন করে নারীদের সমানাধিকার দেয়া হয়েছে। ফলে এখন তারা উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেতে পারেন এবং জমির মালিকও হতে পারেন। কিন্তু এই সংশোধিত আইন সম্পর্কে গ্রামের লোকজন এখনো তেমন কিছু জানে না। ফলে অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। তবে নারী কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কেনিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ওবওবা কিপ্রোটিচ বলছেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে নারী কৃষকদের। এছাড়া তারা যেন উত্পাদিত ফসলের সঠিক বাজার খুঁজে পান সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।