সুবিবেচনা প্রদর্শনের মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিতকে প্রাণে বাঁচান

গত ১৭ মার্চে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বার আউলিয়া (গামারীতল) এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এক কিশোরকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা, সকাল দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে কোনো এক সময় ঢাকাগামী বেপরোয়া বাস কিশোরটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা। দীর্ঘক্ষণ ধরে (মাথায় প্রচণ্ড আঘাতে) রক্তক্ষরণ হতে থাকা রাজীবকে পথচারীরা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়েও হতভাগ্য কিশোরটি প্রায় আধাঘন্টা রাস্তায় পড়ে না থাকলে বোধকরি প্রাণে বাঁচতো। কিন্তু এতো দ্রুত সময়ে কে নেবে তাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে? নিজের জীবন এবং সংশ্লিষ্ট গাড়িটিকে অবিবেচকদের রুদ্ররোষ থেকে রক্ষা করতে তাকে যদি পালাতে না হতো, তাহলে চালক নিজেই ঐ মুহূর্তে আহত হওয়া রাজীবকে নিকটস্থ হাসপাতালে পৌঁছে দিতে পারতো নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই। মানবতাবোধ প্রকাশে ব্যর্থ হয় চালকেরা। এতে দুর্ঘটনাকবলিতরা অকাল মৃত্যুই বরণ করে না কেবল, বরং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণও তদন্ত কমিটির হাতে বন্দি হয়ে থাকে চিরদিন! তাই অতি আবেগে আইন নিজেদের হাতে তুলে না নিয়ে, দুর্ঘটনাকবলিতের স্বার্থে চালক ও গাড়িকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করা উচিত। মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ, বারইয়ারহাট, মীরসরাই, চট্টগ্রাম-৪৩২৬।