মঙ্গলগ্রহে প্রথম মনুষ্য অভিযানে যেতে আবেদনের হিড়িক

লাল গ্রহ মঙ্গলের প্রতি মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধান করছেন বিজ্ঞানীরা। সেই গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা আছে। তবে তা এখনই নয়, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে। ৫০১ দিনের এই ভ্রমণে পাঠানো হবে একটি বিবাহিত যুগল (নারী-পুরুষ)। তারা মঙ্গলে নামতে পারবেন না, চারপাশে ঘুরবেন। মঙ্গলে প্রথম মনুষ্য যাত্রার এখনো পাঁচ বছর সময় থাকলেও আগ্রহী মানুষের সংখ্যা কম নয়। প্রথম মহাশূন্য পর্যটক মার্কিন ধনকুবের ডেনিস টিটুর এই পরিকল্পনায় সাড়া দিয়েছে অসংখ্য মানুষ। ইতোমধ্যে বন্যার স্রোতের মতো আবেদন পড়েছে। খবর এনডিটিভির। ডেনিস টিটু ২০০১ সালে পর্যটক হিসেবে মহাশূন্যে যান। তিনি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিনীদের জন্য মঙ্গল যাত্রা পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এরপর থেকে প্রবল উত্সাহী লোকের আবেদনের বন্যা বয়ে যায়। সৌভাগ্যবান যুগল মঙ্গলে যাবেন প্রমোদতরীতে করে। সেখানে বাতাস শোধন করে শ্বাস গ্রহণ করা হবে। মূত্র শোধন করে পান করা হবে। আর্দ্রতামুক্ত খাবার খাবেন। সেই অভিযানের অংশীদার প্যারাগন স্পেস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট জ্যান পয়েন্টার বলেন, তারা ইতোমধ্যে এক টন আবেদনপত্র পেয়েছেন যারা সেই মঙ্গল মিশনে যেতে চান। এখনো আবেদন নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়নি। তাই আবেদন না পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। এদিকে ডাচ সংস্থা মার্স ওয়ান জানিয়েছে, তারা মঙ্গলে লোক পাঠানোর জন্য শিগগির আবেদন নেয়া শুরু করবেন। সংস্থাটি সেখানে বসতি স্থাপনের আশা করছে। তাই এটি হবে একক যাত্রা। যাত্রীরা আর ফিরে আসবে না।