ফটিকছড়িতে হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

‘বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামের মদদে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের আর্থিক সহায়তায় জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র খুনিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রার উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের এই তান্ডব একাত্তরের হানাদার বাহিনীর গণহত্যা এবং ধ্বংসযজ্ঞকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক।’ গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান। আটক বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্যই তালেবানি কায়দায় এ নগ্ন হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নে গত ১১ এপ্রিল আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফারুক ইকবাল, যুবলীগ নেতা ফোরকান এবং ছাত্রলীগ নেতা রুবেল নিহত হন। মারাত্মক আহত হন প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী। হামলাকারীরা ২৩০টি মোটর সাইকেল, ৩টি কার, ১টি মাইক্রোবাস, ৩টি জীপ এবং ৮টি ট্রাক ও পিকআপ জ্বালিয়ে দেয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্থানীয় থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি আওয়ামী লীগ নেতা ডা. মাহমুদ হাসান ও ফখরুল আনোয়ার। এক প্রশ্নের জবাবে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি জানান, এই হামলার পেছনে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিবদমান কোনো গ্রুপের কোনো ধরনের ইন্ধন আছে বলে তিনি মনে করেন না। এদিকে ঘটনার সময় ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো সহযোগিতা করেন নি বলে সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন।