রপ্তানিতে প্রণোদনা বাড়ানোর দাবি

রপ্তানির বিপরীতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নগদ সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। এ লক্ষ্যে বাজেটে প্রণোদনার বরাদ্দও বাড়ানোর দাবি সংগঠনটির। বাজেট উপলক্ষে ইএবির পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবে এসব দাবির কথা উঠে এসেছে। এছাড়া রপ্তানির উেস কর থেকেও অব্যাহতি দেওয়া ও সব রপ্তানি খাতের জন্য গার্মেন্টস খাতের ন্যায় ১০ শতাংশ হারে কর্পোরেট কর নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। ইএবি সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী স্বাক্ষরিত ওই প্রস্তাবে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক বিষয়ে বেশকিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে রপ্তানি বানিজ্য উপকৃত হবে বলে মনে করছেন তারা।

ইএবির পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমানে নতুন বজারে রপ্তানির ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ এবং ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে রপ্তানিতে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। এর বদলে যেকোনো দেশে রপ্তানি মূল্যের উপর সরাসরি ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রণোদনার জন্য সরকার বাজেটে ৪ হাজার ৫শ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। এটি বাড়িয়ে ৬ হাজার কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগকর্তা কর্তৃক কর্মীর আয়কর রিটার্নের তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে রেহাই দেওয়া, আয়ের উপর দ্বিতীয়বার কর কর্তন থেকে অব্যাহতি দেওয়া, রপ্তানিমুখী শিল্পে ব্যবহূত কাঁচামালের উপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়করের স্থলে তিন শতাংশে নামিয়ে আনা, ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বিদ্যমান আড়াই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করা, রপ্তানি সংশ্লিষ্ট স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত সব পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট মওকুফসহ রিটার্ন দাখিল হতে অব্যাহতি দেওয়া, গ্যাস-বিদ্যুত্ ও পানির প্রদত্ত ভ্যাট প্রত্যর্পণের জটিলতা দূর করার লক্ষ্যে শতভাগ ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়াসহ কয়েকটি প্রস্তাব দেওয়া হয়।