ভাগ্য নির্ধারণ হয়নি কুড়িয়ে পাওয়া রাজকুমারীর !

এক মাসেও বকশীগঞ্জে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক রাজকুমারীর ভাগ্য নির্ধারণে আইনি লড়াই শেষ হয়নি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত জামালপুরের আদালত রাজকুমারীকে বকশীগঞ্জ সমাজসেবা অফিসের  হেফাজতে রাখার আদেশ দিয়েছে।

গত ২৯ মার্চ বকশীগঞ্জ শ্মশান ঘাটে কে বা কারা দুদিন বয়সী এক কন্যা শিশুকে রেখে পালিয়ে যায়। কান্না শুনে প্রতিবেশী আছর আলীর স্ত্রী সন্ধ্যি বেগম শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক পরিচর্যা করেন। পরে পুলিশ শিশুকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে। কুড়িয়ে পাওয়া ফুটফুটে নবজাতকের নাম রাখা হয় রাজকুমারী। এ নিয়ে গত ২৯ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকের অনলাইন সংস্করণে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর ভ্যানচালক থেকে হাই সোসাইটির একাধিক ব্যক্তি বা পরিবার তার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন। কিন্তু আদালতের আদেশ ছাড়াই স্থানীয় পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর রহিমা বেগম এক ভ্যান চালকের পরিবারে শিশুটিকে তুলে দেন। অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন সিরাজি বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে রাজকুমারীকে বকশীগঞ্জ সমাজসেবা অফিসের হেফাজতে রাখার আদেশ দেন।

অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন সিরাজি জানান, একটি উপযুক্ত পরিবারে রাজকুমারীকে হস্তান্তরের জন্য আইনি লড়াই অব্যাহত রেখেছি। 

বকশীগঞ্জ সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিনহাজ উদ্দিন জানান, আদালতের আদেশ ছাড়া ওই শিশুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। 

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, আদালত যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবে রাজকুমারীকে সে পরিবারেই সংযুক্ত করা হবে।