নবম শ্রেণির জীববিজ্ঞান প্রস্তুতি

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ তোমাদের ৩য় ও ৪র্থ অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর আলোচনা করব, যা চূড়ান্ত পরীক্ষাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ১। কোষ বিভাজন কাকে বলে? উ: যে পদ্ধতিতে একটি কোষ থেকে সরল বা জটিল পরিবর্তনের মাধ্যমে দুই বা ততোধিক কোষ উত্পন্ন হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে। ২। অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন কাকে বলে? উ: যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় কোন জটিল পরিবর্তন ছাড়াই একটি মাতৃকোষ সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে। ৩। মাইটোসিস কোষবিভাজন কাকে বলে? উ: যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃত কোষ জটিল ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে মাতৃকোষের সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট ও সমগুণসম্পন্ন দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে। ৪। মিয়োসিস কোষ বিভাজন কাকে বলে? উ: যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃত কোষ বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভক্ত হয়ে মাতৃকোষের তুলনায় অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট চারটি অপত্য কোষে পরিণত হয় তাকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলে। ৫। জাইগোট কাকে বলে? উ: নিষিক্ত ডিম্বাণুকে জাইগোট বলে। অর্থাত্ শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের ফলে সৃষ্ট জীবের প্রথম কোষই হলো জাইগোট। ৬। ক্যারিওকাইনেসিস কাকে বলে? উ: যে পদ্ধতিতে কোন কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয় তাকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে। ৭। সাইটোকাইনেসিস কাকে বলে? উ: যে পদ্ধতিতে কোষবিভাজনের সময় সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয় তাকে সাইটোকাইনেসিস বলে। ৮। যৌন জনন কাকে বলে? উ: পুং ও স্ত্রী জনন কোষের মিলনে জাইগোট সৃষ্টির মাধ্যমে জীবের বংশবৃদ্ধিকে যৌন জনন বলে। ৯। অযৌন জনন কাকে বলে? উ: পুং ও স্ত্রী জনন কোষের মিলন ছাড়াই দ্বিবিভাজন, স্পোর সৃষ্টি, কিংবা মুকুলোদগমের মাধ্যমে জীবনের বংশ বৃদ্ধিকে অযৌন জনন বরে। ১০। হ্যাপ্লয়েড কাকে বলে? উ: পিতৃ বা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজোম বিশিষ্ট জীবের জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড বলে। শুক্রাণু ও ডিম্বাণু হল হ্যাপ্লয়েড। ১১। ডিপ্লয়েড কাকে বলে? উ: দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষের মিলনের ফলে যে কোষ সৃষ্টি হয় তাকে ডিপ্লয়েড (2n) বলে। অর্থাত্ শুক্রাণু ডিম্বাণুর মিলনে সৃষ্ট জাইগোট হল ডিপ্লয়েড (2n)কোষ।