মেধাবী মুখ
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০১৩, ২০:১৩
পরীক্ষায় ভালো করে লেখার চেষ্টা করি
ধীমান দাস দিব্য
২০১২ ইং সালে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষায় মাগুরা জেলাধীন শ্রীপুর থানার অন্তর্গত
লাঙ্গলবাঁধ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে A+ পেয়েছে। এবং মাগুরা জেলার অধীনে মেধা তালিকায় ২য় এবং শ্রীপুর থানার মধ্যে ১ম স্থান ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে।
মা-বাবা ও শিক্ষকরা আমাকে জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়। তাদের অনুপ্রেরণাতেই আমি ক্লাসে
ভালো ফলাফল অর্জনে সক্ষম হই। তারা নানাভাবে আমাকে সাহায্য সহযোগিতা না করলে হয়তো এটা সম্ভব হতো না। জীবনকে সফল করে তোলার জন্য অন্তরে আত্মবিশ্বাসের যোগান দিতে মা-বাবা ও শিক্ষকদের অবদান অতুলনীয়। এখনো জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা আমাকে সহায়তা করেন। আর আমি ও সবসময় চেষ্টা করি, আমার উপর তাদের যে বিশ্বাস তা যেন আমি রক্ষা করতে পারি, তবে আমার সফলতার পিছনে সব থেকে বড় অবদান আমার মায়ের। এছাড়াও আমাকে সামনের দিকে পথ চলতে নানাভাবে সহায়তা করছে শিক্ষকরা। তাদের স্নেহভরা শাসন আমাকে পড়াশোনার প্রতি আরো মনোযোগী করে তুলছে। আমি আমার অবস্থান টিকিয়ে রাখতে রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শিখি।
ক্লাসে মনোযোগী হই। পাঠ্যবই বেশি বেশি রপ্ত করার চেষ্টা করি। পাশাপাশি পরীক্ষা নির্ভুল লেখার জন্য বাসায় বেশি বেশি লিখি। পাঠ্য বইয়ের যেসব তথ্য ও তত্ত্ব আছে তাছাড়াও ক্লাসে শিক্ষকরা অতিরিক্ত তথ্য ও তত্ত্ব সমৃদ্ধ বিষয় সম্পর্কিত যে কথাগুলো বলেন উভয়ের সমন্বয়ে পরীক্ষায় ভালো করে লেখার চেষ্টা করি। ফলে অনায়াসেই ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারি। মনোযোগ দিয়ে লেখাপাড়া করি, যেন ভবিষ্যতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারি। মা-বাবা ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় একজন শিক্ষার্থী তার জীবনকে গড়ে তুলতে পারে একটি সমৃদ্ধ ও সুপ্রতিষ্ঠিত জীবন। যার জন্য উন্মোচিত হবে সোনালি ভবিষ্যতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার দ্বার।