শেয়ারবাজারে বস্ত্র খাতের লেনদেন বৃদ্ধি

বিএনপি-জামায়াত জোটের দুই দিনের হরতালের ডাকের প্রভাবে গতকাল সোমবার শেয়ারবাজারে লেনদেন হয়েছে মাত্র ১৩৩ কোটি টাকা। যা গত ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাজারে মোট লেনদেন কমে গেলেও গতকাল হঠাত্ করে বস্ত্র খাতের লেনদেন ও এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বেড়ে যায়। বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর মোট লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। যা মোট লেনদেনের প্রায় ২০ ভাগ। দর বাড়ার দিক থেকেও এ খাতটি এগিয়ে রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েকদিন হরতাল বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে বিনিয়োগের ভরসা পাচ্ছেন না। এতে বাজারের লেনদেনের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তাই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর খুব নিম্ন পর্যায়ে থাকার পরও বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করছেন না। বাজারের উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা জরুরী বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ৬ পয়েন্ট। আর ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০৫ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৭০টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০২টির, কমেছে ১৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির। আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল বাজারে বস্ত্র খাত, ওষুধ, খাদ্য ও বিবিধ খাত ছাড়া অন্য সব খাতের দরপতন হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে পাট ও পাটজাত দ্রব্য খাতের। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তি, অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা খাতেরও বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতন হয়েছে।