কুতুবদিয়ায় সেতুর অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধুরং ও লেমশিখালী ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম একটি বাঁশের সাঁকো। যা বর্ষাকালে ভেঙ্গে পড়ে। একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দুই এলাকার হাজার হাজার মানুষ। কুতুবদিয়ার লেমশিখালী ইউপির চেয়ারম্যান আকতার হোছাইন জানান, লেমশিখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম মতির বাপেরপাড়ায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বসবাস। কিন্তু দুর্গম এলাকা হিসেবে ওই এলাকায় কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান কিংবা হাট-বাজার নেই। এলাকার ছেলে মেয়েদের শিক্ষা গ্রহণের জন্য পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ ধুরং ইউনিয়নে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেতে হয়। এছাড়া এ গ্রামের মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের প্রয়োজনেও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে যেতে হয়। মতির বাপের গ্রামের বাসিন্দা কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা জানান, জন্ম থেকে এ বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে চলাচল করে আসছি। এ ব্যাপারে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফিরোজ আহমেদ বলেন, ডিজিটাল যুগে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত চরম ঝুঁকিপূর্ণ। কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী বলেন, এলাকার হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সাঁকোর পরিবর্তে খালের উপর সেতু নির্মাণের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।