আজ কটিয়াদীতে গণহত্যা দিবস
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০১৩, ২০:৫৫
আজ ২৪ এপ্রিল বুধবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় ১৯৭১ সালের এই দিনে বর্বর পাকবাহিনী প্রথম হানা দেয়। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ১১ জন নিরীহ মানুষকে। স্বাধীন বাংলার পতাকা বিক্রি করে ছাত্রলীগ কর্মীরা স্থানীয় বিনাপানি ফার্মেসী থেকে। এই খবর পেয়ে পাকবাহিনী বিনাপানি ফার্মেসীতে অগ্নিসংযোগসহ শতশত দোকান লুট ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ২৪ এপ্রিল দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুজ্জামান অপুর পিতা তত্কালীন ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিয়া বাইসাইকেলে চড়ে প্রচার করেন পাকবাহিনী আসছে এবং সবাইকে পালিয়ে যাবার আহ্বান জানান। হাজার হাজার জনতা ব্রহ্মপুত্র নদী পার হয়ে মনোহরদীর চরমান্দালীয়া গ্রামে আশ্রয় নেয় এবং মাস্টার বাড়ী বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়। পরে এই বাজারটির নাম হয় জয়বাংলার বাজার। স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও জনতাসহ এই উপজেলার ১২৩ জন শহীদ হয়। ২৪ এপ্রিল পাকবাহিনীর আক্রমণের পর তত্কালীন বেঙ্গল রেজিমেন্টের মুক্তিযোদ্ধা ইপিআর সিপাহী শেখ হারুন (ক্যাপ্টেন), আব্দুর রশিদ তারা মাস্টার, সিপাহী আফতাব ও বর্তমান জনতা ব্যাংকের পরিচালক ড. রমণী মোহন দেবনাথের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা এই রাতে কটিয়াদী থানা আক্রমণ করে এবং অস্ত্র ভান্ডার লুট করে। ১৭টি বন্দুক ও গোলাবারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের হস্তগত হয়। কিশোরগঞ্জ-২, কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ডা. এম,এ মান্নান বলেন, কটিয়াদী বধ্যভূমিকে সংরক্ষণের জন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।