সংসদীয় সীমানার খসড়ার ওপর গণ-শুনানি শুরু

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রকাশিত খসড়ার ওপর গণ-শুনানী শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ইসি কার্যালয়ে এই শুনানী শুরু হয়। প্রথমদিনে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের আংশিক শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রকাশিত খসড়ার পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করা হয়। প্রথমদিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে কুড়িগ্রাম-৩, কুড়িগ্রাম-৪, সিরাজগঞ্জ-২, চুয়াডাঙ্গা-১, চুয়াডাঙ্গা-২, খুলনা-৩, খুলনা-৬, বগুড়া-৫, পাবনা-১, পাবনা-২, সাতক্ষীরা-৩ ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন ৮৮টি আসনের সীমানার পরিবর্তন করে খসড়া গেজেট প্রকাশ করে। গত ১০ মার্চ পর্যন্ত এর ওপর আপত্তি ও পরামর্শ গ্রহণের আহবান করে কমিশন। কুড়িগ্রাম-৩ ও ৪ আসনের শুনানীতে সংসদ সদস্য জাকির হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম হাবিব, চিত্র পরিচালক বাদল খন্দকার বক্তব্য রাখেন। সিরাজগঞ্জ-২ আসনের ওপর শুনানীতে অংশ নিয়ে এডভোকেট হোসেন আলী হাসান সদর উপজেলাকে অখণ্ডিত রেখে আসন বিন্যাসের দাবি জানান। চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২ আসনের সীমানা ২০০৮ সালের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানান হায়দার মল্লিক। পাবনা-১ আসনের পরিবর্তনের পক্ষে বক্তব্য দেন নিজামউদ্দিন। তবে পাবনা-১ ও ২ আসন ২০০৮ সালের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখতে বেশিরভাগ আবেদনকারী বক্তব্য দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. আ ফ ম রুহুল হক নিজেই শুনানীতে অংশ নিয়ে সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে বক্তব্য রাখেন। শুনানীতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো ঃ জাবেদ আলী, ইসি সচিবালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক, অতিরিক্ত সচিব মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।