শপিং ব্যাগে ভরে বোমা ‘উপহার’!
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৬
১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিন গতকাল মঙ্গলবার অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা কদমতলীর জুরাইনে এক মহিলা লীগ নেত্রীর বাসার গেটে শপিং ব্যাগে বোমা রেখে সটকে পড়ে। ব্যাগের মধ্যে কি রয়েছে কৌতূহলবশত তা খুলে দেখতে গিয়ে মহিলা লীগ নেত্রী মর্জিনা বেগম (৪২) এবং তার মেয়ে রোকেয়া হাসান রূপালী (১৮) বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন। আহত দু’জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। আহত মর্জিনা বেগম ঢাকার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের (সাবেক ৮৯ নং) যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক। মর্জিনা বেগম জানান, জুরাইনের ১৯০২ নম্বর হাজী খোরশেদ আলী রোডে তার বাড়ি। গতকাল দুপুর পৌনে ২টার দিকে তিনি পানির মোটর ছাড়ার জন্য বাসার নিচতলায় নামেন। এ সময় গেটের পাশেই একটি কাগজের শপিং ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে তার মেয়ে রূপালীকে ডাক দেন। রূপালী তার কাছে গেলে তিনি শপিং ব্যাগটি দেখান। রূপালী এবং তিনি কৌতূহলবশত ব্যাগটি খোলার চেষ্টা করেন। তখনই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে মর্জিনা বেগমের দুই পায়ে এবং রূপালীর বাম কানে ও পায়ে বোমার স্প্লিন্টার বিদ্ধ হন। তাদের চিত্কার ও বিস্ফোরণের শব্দে আশ-পাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে। পরে শ্যামপুর ও কদমতলী যুব মহিলা লীগের সভাপতি মাহমুদা বেগম ঝর্ণা তাদের দু’জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। মর্জিনার কন্যা রূপালী মতিঝিল আইডিয়াল কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তার বাবার নাম মো. বাবুল।
কদমতলী থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে অবিস্ফোরিত অবস্থায় আরো একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে রহস্যময় এ ব্যাগে কি রয়েছে তা দেখতে গিয়ে বিস্ফোরণের শিকার হন মর্জিনা বেগম ও তার মেয়ে। এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি।