জোকস

 দোকান মালিক দোকানে নতুন এক কর্মচারী রাখার পর হঠাত্ করেই তার দোকানের বিক্রি বেড়ে গেছে। দোকান মালিকও তার নতুন কর্মচারীর এই পারফর্মেন্সে বেজায় খুশি। কিন্তু মনে মনে একদিকে খুশি হলেও অন্যদিকে তার মনে একটা কৌতূহলও বেশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। তিনি ভাবতে লাগলেন, কী করে তার কর্মচারী হঠাত্ করে দোকানের বিক্রি বাট্টা এত বাড়িয়ে ফেলল সেটা তিনি নিজের চোখে একদিন দেখে আসবেন। এই ভাবনা থেকেই একদিন তিনি দোকানে যেয়ে হাজির হলেন। দূর থেকে দাঁড়িয়ে তিনি দেখলেন তার কর্মচারী ছিপ কিনতে আসা এক লোককে বলছে, ‘স্যার, মাছ ধরতে গেলে শুধু তো ছিপ কিনলে চলবে না, সাথে মাছের টোপও কিনতে হবে। আমদের দোকানে মাছের জন্য ভালো কিছু টোপ আছে। আমি কি আপনাকে কয়েকটা টোপ সাথে দিয়ে দেব?’ কর্মচারীর এই কথায় রাজি হয়ে ভদ্রলোক বেশ কিছু টোপ কিনে নিলেন। তখন কর্মচারী তাকে বলল, ‘স্যার, ছিপ দিয়ে মাছ ধরতে হলে তো আপনাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। তা এতক্ষণ নদীর পাড়ে যাতে আরাম করে বসে থাকতে পারেন সে জন্য আপনি চাইলে একটা ফোল্ডিং চেয়ার নিয়ে যেতে পারেন। এটা খুব সহজেই সাথে করে নিয়ে যাওয়া যায়।’ কর্মচারীর এই কথাতেও রাজি হয়ে গেলেন ভদ্রলোক। কিন্তু কর্মচারীটি দমে যাবার পাত্র নয়। সে আবারও বলতে লাগল, ‘স্যার আপনি যখন অনেক মাছ পাবেন তখন সেই মাছগুলো রাখার জন্য আপনার তো একটা ঝুড়ি জাতীয় কিছুও চাই। আপনি যেহেতু আমাদের দোকান থেকে এতকিছু কিনেছেন তাই আপানাকে আমি খুব কম দামে একটা মাছ রাখার ঝুড়ি দিতে পারি।’ মজার বিষয় হলো কী মনে করে যেন ভদ্রলোক এটাতেও রাজি হয়ে সবকিছু একবারে কিনে দাম পরিশোধ করে দিলেন। এদিকে এতক্ষণ ধরে আড়াল থেকে সবকিছু দেখতে থাকা মালিক ভদ্রলোক তো সব দেখেশুনে একেবারে বাকরূদ্ধ। অবশেষে লোকটি চলে যাওয়ার সাথে সাথেই কর্মচারীর কাছে এসে তিনি বললেন, ‘তুমি তো আজব লোক হে! একটা লোক ছিপ কিনতে এলো আর তুমি কি না তাকে এতকিছু কিনিয়ে ছাড়লে!’ তখন কর্মচারীটি জানালো, ‘আপনি ভুল বুঝেছেন, উনি আসলে অফিসের ছুটিতে কাজ নেই বলে কয়েকটা ডিভিডি আর ম্যাগাজিন কিনতে এসেছিলেন। আমিই তাকে বুঝিয়ে...’