বাইক্যাবিলে ১৪৪ ধারা অব্যাহত মাছ লুটের ঘটনায় মামলা হয়নি

দেশের একমাত্র মত্স্য অভয়াশ্রম হাইল হাওরের বাইক্যাবিলের মাছ লুটের ঘটনার ১৫ দিনেও এ ব্যাপারে কোন মামলা হয়নি। তবে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে একটি অভিযোগ দাখিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। বাইক্যাবিলের সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের সভাপতি আবদুল সোবহান চৌধুরী, প্রাক্তন সভাপতি পিয়ার আলী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইজার উদ্দিনের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, ইতিপূর্বে বাইক্যাবিলের মাছ চুরির মামলায় অভিযুক্ত ২০/২৫জন এই লুটপাটের সাথে জড়িত। পানি কমে যাবার পরিস্থিতিতে কিছু মাছ মরে ভেসে উঠার পর এরা গুজব ছড়ায় যে, তিনদিনের জন্য বাইক্যাবিলে মাছ ধরা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এর পর পরই শত শত লোক বিলে মাছ ধরতে নেমে যায়। তারা আরো বলেন, ১০ এপ্রিল থেকে একনাগাড়ে চারদিন লুণ্ঠনের ফলে ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। তবে বড়গাঙ্গিনা চিতল প্রজনন কেন্দ্রে পানির গভীরতা এবং জলজ উদ্ভিদের ঘনত্ব বেশি থাকায় চিতল মাছ রক্ষা পেয়েছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা জানান, বাইক্যাবিলের পানি কমে যাবার এ পরিস্থিতি ইতিপূর্বে আর ঘটেনি। কিছু মাছ মরে যাবার পর সেসব মাছ সংগ্রহ করে তাজা মাছগুলো তারা ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। তবে নগণ্য পরিমাণ ছোট সাইজের মাছ মরে গেলেও সাময়িক এ অবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যেতো। তিনি আরো জানান, বাইক্যাবিলে এখনো ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে এবং শিগগিরই এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করা হবে।