জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০১৩
পুরস্কৃত হলো ১৫৩ শিশু
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৩৪
জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০১৩ অনুষ্ঠানে ৫১টি বিষয়ে ‘ক’ ও ‘খ’ বিভাগে মোট ১৫৩ জন শিশুকে পুরস্কৃত করলো বাংলাদেশ শিশু একাডেমী। এরমধ্যে শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিযোগিতায় ১২৩ এবং ক্রীড়া বিষয়ে ৩০টি পুরস্কার লাভ করে শিশুরা। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে সারাদেশের দেড় লক্ষ শিশু খেলাধুলা, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, বিজ্ঞান, শিল্পকর্ম ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। যোগ্যতার ভিত্তিতে জেলা, আঞ্চলিক সর্বোপরি জাতীয় পর্যায়ে শিশুদের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতা শেষ হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক হিসেবে মেডেল ও সনদপত্র দেয়া হয়।
গতকাল বুধবার সকালে বাংলা একাডেমীর আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী আয়োজিত ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার বিতরণ-২০১৩’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিশু একাডেমীর পরিচালক মো. নূরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সরকার শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পথশিশুদের স্কুলমুখী করার জন্য ২০টি জেলায় বিশেষ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। শিশুর বিকাশকে সার্বজনীন করতে সুবিধাবঞ্চিত শিশু যেমন- প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক শিশু, কন্যা শিশু ও শ্রমে নিয়োজিত শিশুদেরও পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, বাবা-মা সচেতন হলেই শিশুরা সামনে এগিয়ে যাওয়া ও নতুন স্বপ্ন দেখার প্রেরণা পায়। শিশুর প্রতিভা বিকাশে উদ্যোগী হতে তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয়ভাবে শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ১৯৭৮ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে।