ভুটান থেকে ১৯ ধরনের পণ্য আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:০২
শাকসবজি, ফলমূল এবং ইমারত তৈরিতে ব্যবহূত পাথর-শিলাখন্ড ভুটান থেকে আমদানির ক্ষেত্রে সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্পর্কিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছে।
এডি ব্যাংকগুলোর প্রধান ও প্রিন্সিপাল কার্যালয়ে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ-ভুটান দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় ভুটান থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের গেজেটে দেখা যায়- ভুটানে উত্পাদিত আলুর বীজ, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপিসহ বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত সবজি, কমলা, আপেল, নাশপাতি, নাশপাতির তৈরি জেলি, এলাচ, আদা, আনারস ও আঙ্গুর ফল ব্যতীত অন্যান্য ফলের টিনজাত বা বোতলজাত জুস ছাড়াও ঘর তৈরিতে ব্যবহূত শিলাখন্ড, নুড়ি, ভাঙ্গা-না ভাঙ্গা পাথর, চুনা পাথর, প্যারিস পলেস্তারা (দেয়ালে প্রলেপ দেয়ার কাজে ব্যবহূত), জিপসাম, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, কাঠ ও কাঠের বিভিন্ন আকৃতির অংশ আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। এসব পণ্যের ওপর আরোপ করা আমদানি শুল্ক, মূল্যসংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক ও রেগুলেটরি ডিউটি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দুইদেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠকে ভুটান ১৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাওয়া হয়েছিল। ভুটানের পণ্যের তালিকার সঙ্গে শিলাখন্ড, কাঁকর-নুড়ি, ভাঙ্গা পাথর, রোড মেটালিং, দিয়াশলাইয়ে ব্যবহূত কঠিন ধাতু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।