ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৭
উপজেলার বারবাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগের দু গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষই ৫০/৬০টি বোমার বিস্ফোরণ মুহুর্মুহু গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা, জুয়েল ইনতা, জাহিদ গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদেরকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অর্ধশত দোকান ভাংচুর করা হয়েছে। বাজারে ভুতুড়ে অবস্থা বিরাজ করছে। বিকাল ৫টা থেকে কালীগঞ্জ-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে আওয়ামী লীগের কর্মীরা। হাজার হাজার যাত্রী এ সময় চরম দুর্ভোগে পড়ে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত হোসেন জানান, উপজেলার বারবাজারে বাজার দখলসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বারবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন ও ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার ও অপর গ্রুপের আওয়ামী লীগ নেতা কালাম এর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার কালাম মেম্বার পিরোজপুর এলাকায় গেলে জয়নাল চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে ধাওয়া করে। এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকাল ৫ টার দিকে উভয় গ্রুপ, আগ্নেয়াস্ত্র, দেশী অস্ত্র ও বোমা নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। তিনি আরো জানান, সংঘর্ষের সময় উভয় গ্রুপই ৫০/৬০টি বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আগে কালাম গ্রুপের রউফ বিশ্বাস নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা জয়নাল গ্রুপের লোকজনের হাতে নিহত হন। ঐ হত্যাকান্ডে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জয়নালের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রউফ বিশ্বাসের ছেলে।