সংবাদ কণিকা
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৩৫
বিরল নিকেল মুদ্রা নিলামে
শতাব্দীর প্রাচীন পাঁচ সেন্টের এক বিরল মার্কিন নিকেল মুদ্রা নিলামে বিক্রি হয়েছে। ১৯১৩ সালের লিবার্টি হেড নিকেলের এই মুদ্রার প্রাক নিলাম মূল্য ধরা হয়েছিল ২৫ লাখ ডলার। শুক্রবার ৩১ লাখ ডলারে এটি বিক্রি হয়। নিলাম সংস্থা হেরিটেজের ভাইস প্রেসিডেন্ট টড ইমফ বলেন, প্রাচীন ওই মুদ্রাটি ৩১ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছে। জানা যায়, স্যামুয়েল ব্রাউন নামে এক ব্যক্তি এটা তৈরি করেছিলেন। ১৯২০ সালে এটা বিক্রির আগ পর্যন্ত এর তথ্য অজানা ছিল। উত্তর ক্যারোলিনার এক মুদ্রা সংগ্রহকারীর কাছে এটা ছিল। ১৯৬২ সালে তিনি এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে দুর্ঘটনাস্থল থেকে পরবর্তীতে এ মুদ্রাটি সংগ্রহ করা হয়। —বিবিসি
উল্কাপিন্ডের শনির বলয়ে ধাক্কা
ছোট ছোট উল্কাপিন্ড শনির বলয়ে ক্রমাগত ধাক্কা খেয়ে পাথরকুচির ঝড় তৈরি করছে। এমনই ছবির খোঁজ পেয়েছে নাসার ক্যাসিনি মহাকাশযান। নাসা জানিয়েছে, সৌরজগতে পৃথিবী, চাঁদ এবং বৃহস্পতি ছাড়া এই প্রথম কোন এক গ্রহে এই ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। শনির বলয়ে যা হচ্ছে তাতে বিজ্ঞানীদের গবেষণার কাছে আরো নতুন কিছু তথ্য উঠে এসেছে। দেখা যাচ্ছে সৌরজগতের মাঝে গ্রহগুলোর আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে। এর আগে ২০০৫, ২০০৯ ও ২০১২ সালে নয়টি উল্কাঝড় নিয়ে কাজ করেছেন বিজ্ঞানীরা। —বর্তমান পত্রিকা
ম্যালেরিয়া থেকে বাঁচতে নতুন মশারি
ম্যালেরিয়া থেকে বাঁচাতে কীটনাশক যুক্ত মশারির ব্যবহার নতুন কিছু নয়। কিন্তু সে মশারি ধুলে যে তা থেকে কীটনাশক ধুয়ে যায়, সেটাই ছিল সমস্যা। ‘লাইফ-নেট’ ব্যবহার করলে সে বিপদ নেই, কেননা কীটনাশক মশারির কৃত্রিম তন্ততেই ঢোকানো থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা বা ডব্লিউএইচও’র বিবৃতি অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় দশ লাখ মানুষ ম্যালেরিয়ায় মারা যায়। এদের নব্বই শতাংশই আফ্রিকায়। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে একমত যে, কীটনাশক যুক্ত মশারি ব্যবহার করে ম্যালেরিয়ার বিস্তার রোধ করা সম্ভব। জার্মানির বায়ার সংস্থা এমন একটি মশারি তৈরি করতে যাচ্ছে।—ডয়েচে ভেলে
রেকর্ড দামে নীল হীরা বিক্রি
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো নীল হীরা। নিলামে ৯৬ লাখ ডলারে বিক্রিত বিরল এই হীরা অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এর আগে হিরা বিক্রির রেকর্ডটি ছিল ৫০ লাখ ডলারের। সাড়ে পাঁচ ক্যারেট ওজনের ওই হীরাটির প্রতি ক্যারেটের দাম ওঠে ১৮ লাখ ডলার। বুধবার লন্ডনের বিলাসবহুল বনহামসে এই নিলাম সম্পন্ন হয়। —ইকোনোমিক টাইমস