কারখানার নিরাপত্তা চায় বিজিএমইএ
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:০৩
আজ সোমবার থেকে আবার দেশের সব গার্মেন্টস কারখানা চালু হচ্ছে। তৈরি পোশাক মালিকদের দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সিদ্ধান্তে গত দুদিন সব কারখানায় ছুটি ছিল। সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় প্রায় ৪শ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃর্ত্যুতে শ্রমিকদের মধ্যে সৃষ্ট অসন্তোষের হাত থেকে কারখানা রক্ষা করতে গত দুদিন ছুটি ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তবে আজ কারখানা খুললেও উদ্যোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ কাজ করছে। গতকাল রবিবার বিজিএমইএ’র সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কারখানার নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ। সংগঠনের সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, দেশ, জাতি, অর্থনীতি ও শিল্পের স্বার্থে কারখানার উত্পাদন কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। তাই শ্রমিকরা শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন যাতে তৃতীয় কোন পক্ষ পরিস্থিতির সুযোগ না নিতে পারে। বিভিন্ন কারখানা ভবনে ফাটলকে ইস্যু করে কেউ কেউ ব্যক্তিগত আক্রোশে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার আশঙ্কাও করছেন। শিল্প এলাকাতে পুলিশ, শিল্প পুলিশ, র্যাব, বিজিবি’র পর্যাপ্ত টহলদারি নিশ্চিত করা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক অতি দ্রুত সব পোশাক কারখানা ভবনের কাঠামো পরীক্ষা করারও দাবি জানানো হয়।
রানা প্লাজার ঘটনায় বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, দ্বিতীয় সহ-সভাপতি এসএম মান্নান কচি’র নেতৃত্বে ৯ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সরকারের পক্ষ থেকে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে যে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হচ্ছে তা শুধুমাত্র দাফনের জন্য। এটি ক্ষতিপূরণ নয়। তাজরীন গার্মেন্টস কারখানার ন্যায় সমন্বিতভাবে এ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৮১ জন শ্রমিক চিকিত্সা নিচ্ছেন বলে জানানো হয়।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, আব্দুস সালাম মুর্শেদী, দ্বিতীয় সহ-সভাপতি এসএম মান্নান কচি, শহিদুল্লাহ আজিম, বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি আসলাম সানি প্রমুখ।