নির্বাচন অফিস লক্ষ্য করে বোমা হামলায় নিহত ৮

পাকিস্তানে রাজনৈতিক দলের নির্বাচন অফিস লক্ষ্য করে বোমা হামলায় কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩০ জন। এদিকে পাকিস্তানের তেহরিক-ই-তালেবানের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের হামলার লক্ষ্য দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ দল এবং ব্যক্তি। খবর ডন-এর। গতকাল রবিবার খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের পেশোয়ার এবং কোহাতে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। তেহরিক-ই-তালেবান এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। এর আগের দিন পাকিস্তান পিপলস্ পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কাওমী মুভমেন্টের (এমকিউএম) নির্বাচন অফিসেও হামালার দায়িত্ব স্বীকার করেছে গোষ্ঠীটি। গতকাল পেশোয়ারে নাসির খান নামের এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর তার নির্বাচন অফিসের কাছে হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়। মোটরসাইকেলে করে এ হামলা চালায় জঙ্গিরা। তিনি তার আসনে টানানো ব্যানারে জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা চালিয়েছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোহাতে সাঈদ নূর আকবর আলমের ওপরও তার নির্বাচন অফিসের কাছে চালানো বোমা হামলায় ৫ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ সময় আশেপাশের দোকান, ভবন এবং পার্কিং করা গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তালেবানের মুখমাত্র এহসানুল্লাহ এহসান বলেছেন, তারা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই), জামিয়াত-ই-উলেমা ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ), জামাত-ই-ইসলামী (জেআই) এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগকে (নেওয়াজ) টার্গেট করেছে। তালেবানের শূরা কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এহসানুল্লাহ বলেন, কেবল এই দলগুলোই নয়, যেসব দল এবং ব্যক্তি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি করবে তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। অন্যদিকে, জঙ্গি গোষ্ঠীর হুমকির কারণে বেলুচিস্তানের ১১টি জেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। আগামী ১১ মে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।