মেধাবী মুখ
আমি পড়ার সাথে সাথে অনেক বেশি লিখি
ফাইরুক ইসলাম রাজিন মার্ক আইডিয়াল স্কুল, ঢাকা
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:২৯
আমি পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছি। এই ফলাফলের জন্য আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভূমিকাই সবেচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি জানতাম যে, প্রত্যেকটা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী পড়াশোনা মেধাকে প্রসারিত করে। স্যাররা আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর লেখার নিয়মাবলী শিখিয়েছেন, হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল বলেছেন। কঠিন প্রশ্নোত্তর শেখার কৌশল শিখিয়েছেন। কিভাবে লিখলে ভালো নম্বর পাওয়া যাবে তা ও শিখিয়েছেন স্যাররাই। বাবার সার্বিক দেখাশোনা আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। বাবা সন্ধ্যার সময় এসে পড়ার খোঁজ নিতেন। না পারলে বুঝিয়ে দিতেন। প্রতিদিন একটি রুটিন অনুযায়ি পড়লে পরবর্তীতে ভালোফল লাভ করা যায়। আমি পড়ার সাথে সাথে অনেক বেশি লিখি। সহপাঠীদের সঙ্গেও আমার ভালো সম্পর্ক। স্কুলের সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা পড়ালেখা বিষয়ে আলোচনা করি। এতে আমাদের সকলেরই দক্ষতাবৃদ্ধি পায়। শ্রেণিকক্ষে স্যারের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনি। কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে প্রশ্ন করি। আমি যেমন পড়ি তেমনি লিখি। নিজে লিখে আবার সেটি আমি নিজেই বইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে নেই। এতে আমার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। স্যারদের পাঠদান মনোযোগ সহকারে রপ্ত করি। যে সমস্ত বিষয় কঠিন মনে হয় তা বার বার পড়ি এছাড়া অন্যান্য সহপাঠীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে বিষয়টি সহজ করে নেই। আমি খুব কম পড়ি, তবে যেটুকু পড়ি মনোযোগ দিয়েই পড়ি
আমি আমার এ ভালো ফলাফলের জন্য অত্যন্ত আনন্দিত। পড়ালেখার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে অনায়াসেই স্যারদের বলতে পারতাম। তাঁরা বলতেন, কোন সমস্যা হলে আমাদেরকে বলবে এজন্যে কখনো সংকোচবোধ করবে না। জানতে হলে প্রশ্ন করতে হবে আর তোমরা প্রশ্ন কেবল তখনই করতে পারবে যখন তোমরা পড়বে। পড় এবং লিখ সবাই ভালো করতে পারবে।
অনুশীলন পাতা সম্পর্কে মতামত জানাতে ফোন ০১৭১৪৭০৫৭২৭ অথবা মেইল করুন
anushilon.ittefaq10@gmail.com