কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যানবাহনে ঢালাও ভাংচুর

সাভারে রানা প্লাজা ধসে বিপুলসংখ্যক পোশাক শ্রমিকের হতাহতের ঘটনায় রাজধানী ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে বিভিন্ন পোশাক কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে গতকাল সোমবারও ঢালাওভাবে ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। রাজপথ অবরোধ করে ভাংচুরের পাশাপাশি যানবাহনে করা হয়েছে অগ্নিসংযোগ। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় গতকাল বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এদিকে আক্রান্ত কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেছেন, শ্রমিক নামধারী অনেক বহিরাগত পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। তারা বলছেন, ভবন ধসে হতাহতদের পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে শোককে পুঁজি করে কারখানায় হামলা-ভাংচুর চালিয়ে শুধু গার্মেন্টস শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত নয়, এই শিল্পে জড়িত লাখো শ্রমিককে বেকার করার ষড়যন্ত্র চলছে। তাদের মতে, হামলাকারীদের কেউই তাদের পরিচিত পোশাক শ্রমিক নয়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিশেষ করে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে শুধু পোশাক কারখানা নয়, অন্যান্য শতাধিক কারখানাও নিরাপত্তার হুমকি বিবেচনায় গত পাঁচদিন ধরে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন সংশ্লিষ্ট মালিকরা। প্রসঙ্গত ভবন ধসের ঘটনায় গত বুধবার থেকে রাজধানীসসহ বিভিন্ন এলাকায় ভাংচুর করা হয়েছে চার শতাধিক যানবাহন, বিভিন্ন কলকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, এমনকি হাসপাতাল। দেয়া হয়েছে ব্যাংক বুটে আগুন। পোশাক শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে সাভারে ধসে পড়া ভবনের মালিক, গার্মেন্টস মালিক ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিচার এবং বন্ধ কারখানা খুলে দেয়া ও পাওনা পরিশোধ। প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে সাভার থেকে ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার তুহিন খান জানান, গতকাল সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উলাইলে ঢাকা সুয়েটার নামক তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা ভবনে ফাটলের খবর পেয়ে নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। তারা কর্মস্থল থেকে বেরিয়ে এসে উলাইল বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিয়ে আশেপাশের বেশ কয়েকটি কারখানায় ব্যাপক ভাংচুর করে। পরিস্থিতি অবনতির আশংকায় গতকাল সাভারের বিভিন্ন কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এসময় শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে এলে সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যা সমাধানের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে পুলিশের এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে শ্রমিককরা সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেয়। অন্যান্য দিনের মত গতকালও একটি চক্র পোশাক কারখানার পাশপাশি অন্যান্য কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুরের চেষ্টা করে। এদিকে সাভার পৌর এলাকার ভাগলপুরে জেকে গার্মেন্টস-এর শ্রমিকরা রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করে। এসময় তারা গার্মেন্টস থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। অন্যদিকে এফ এ রহমান নামক একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ভবনে ফাটলের ঘটনায় আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল, গাড়িতে আগুন ও ভাংচুর করে। এ সময় পার্শ্ববর্তী পলমল কারখানার শ্রমিকরাও কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও রানা প্লাজার পোশাক শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণসহ সোহেল রানার উপযুক্ত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। শ্রমিকরা আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল এবং নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে। শ্রমিকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় কমপক্ষে ২০জন শ্রমিক আহত হয়। পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়। আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পরিচালক এসপি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে পুলিশ। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও তিনি জানান। গাজীপুর প্রতিনিধি মুজিবুর রহমান জানান, গতকাল সকাল ১০টার দিকে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে পল্লীবিদ্যুত্ এলাকায় মণ্ডল গ্রুপের ট্রপিক্যাল নিট্রেক্স কারখানায় ও বোর্ড বাজার বটতলা রোডে অবস্থিত এফবি ফ্যাশনে ফাটল দেখা দেয়ার খবরে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে আসে। পরে তারা তাদের কাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও সাভারে ভবন ধসে দুর্ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি দাবি করে আশপাশের কয়েকটি কারখানায় ভাংচুর চালায়। ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ছয়দানা ও বোর্ড বাজার এলাকায় টায়ার ও বিভিন্ন আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে শ্রমিকরা। ফলে ওই মহাসড়ক দু’টিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা মহাসড়কের আশেপাশে বিভিন্ন শিল্প কলকারখানায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাংচুর করে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও হামলা চালায় এবং মহাসড়কে বেশ কিছু যানবাহন ভাংচুর করা হয়। এসব হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় পোশাক কারখানার শ্রমিক ছাড়াও বহিরাগত লোকজন অংশ নেয় বলে জানা গেছে। কোনাবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা জানান, সম্ভাব্য হামলা ও ভাংচুরের আশঙ্কায় কোনাবাড়ি বিসিক শিল্পনগরীর অধিকাংশ কারখানায় গতকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সদর উপজেলার মোহাম্মদীয়া কারখানা, এফবি ফ্যাশন লিমিটেড কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। একই সময় শ্রমিকরা চান্দনা চৌরাস্তায় ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। ছয়দানা মালেকের বাড়ি এলাকায় এভারগ্রীন নামক পোশাক কারখানার সামনে একটি প্রাইভেটকার ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। তারা একই এলাকায় দ্বীপ এ্যাপারেলস, মালিম বিডি লিঃ এবং এএমএস নিট কারখানায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং কিছু সামগ্রী রাস্তায় বের করে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় তারা ধাওয়া দিয়ে ও কয়েকটি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। সকাল সাড়ে দশটার দিকে পোশাক শ্রমিকরা মিছিলসহকারে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় জড়ো হলে সেখানকার পরিবহন শ্রমিক ও বাজার ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে পোশাক শ্রমিকদের ধাওয়া দেয়। পরে শ্রমিকরা রাস্তা থেকে সরে গেলে বেলা ১২টার দিকে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গতকাল বিকাল পৌনে ৩টায় ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকাতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একটি মিছিল বের হয়। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুঁড়লে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। বিকাল ৩টায় পুলিশ লাইন এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের আলাদা একটি মিছিল বের হয়। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-পাগলা সড়ক প্রদক্ষিণ করা মিছিল থেকে সাভারের ঘটনায় দায়ী রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার শাস্তি চেয়ে শ্লোগান দেয় শ্রমিকেরা। মিছিলটি পুলিশ লাইনের আশেপাশের কয়েকটি গার্মেন্টের সামনে অবস্থান করে শ্রমিকদের নামিয়ে আনেন। ওই সময়ে ‘সুমন গার্মেন্টস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের নামিয়ে আনার চেষ্টা করলে পুলিশ এসে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে শ্রমিকেরা ইটপাটকেল ও বাঁশের টুকরো নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ, পরে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারসেল ছোঁড়ে। তখন দুই পক্ষে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এক পর্যায়ে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। সংঘর্ষে নারী শ্রমিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় তাত্ক্ষণিক জানা যায়নি। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন জানান, পুলিশের উপর শ্রমিকদের অহেতুক হামলার সময়ে বাধা দেয়া হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়া বিসিকের ভোলাইলে ফারিহা গার্মেন্টে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনের চেষ্টা চলছে। রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর বুধবার দুপুরের পর থেকে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের তাণ্ডব শুরু হয়। বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের সাথে অধিকাংশ সময় বহিরাগত ও বাম ঘরাণার রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দেখা গেছে। বন্ধ থাকার সময়েও বিভিন্ন গার্মেন্টসে হামলার পাশাপাশি দোকানপাট, রূপগঞ্জে শরীফ মেলামাইন কারাখানায়ও হামলা চালানো হয়। ভালুকা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, বেতন বৃদ্ধি, কর্মস্থলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিশ্চিত ও সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার ফাঁসির দাবিতে গতকাল ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার কালার মাস্টার, মাহ্দীন স্যুয়েটার ও পি.এ. নিট কম্পোজিট লিমিটেড-এর শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় এক ঘন্টা অবরোধ দিয়ে রাখে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা উল্লেখিত তিনটি কারখানায় ভাঙচুর চালায়। পরে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর কর্তৃপক্ষ ওই তিনটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। গতকাল দুপুরে ভালুকা উপজেলার মামারিশপুরস্থ সোয়েটার্স বুটিকস্ লিমিটেড-এর চারতলা ভবনে ফাটল দেখা দিলে সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা কর্মস্থল ত্যাগ করে রাস্তায় বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ শুরু করলে কর্তৃপক্ষ ওই কারখানাও বন্ধ ঘোষণা করে। মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, গতকাল বিকাল তিনটার দিকে গোড়াই শিল্পাঞ্চলের কমফিট কম্পোজিট, ইমপ্রেস, সাউথ ইস্ট এবং নিউটেক্স গ্রুপসহ কয়েকটি গার্মেন্টের শত শত শ্রমিক রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও বিভিন্ন গার্মেন্টস-এর মালিকদের অবিলম্বে গ্রেফতারসহ তাদের বিভিন্ন দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি যোবাইদুল আলম বলেন, শ্রমিকরা বিভিন্ন দাবি নিয়ে এবং সাভারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাস্তা অবরোধ করেছিল। গোড়াই শিল্পাঞ্চলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। গতকাল রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। রাজধানীতে সড়ক অবরোধ ঃ তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় নাসা গ্রুপের একটি বন্ধ কারখানা খুলে দেয়া ও পাওনা পরিশোধের দাবিতে প্রায় দুই হাজার পোশাক শ্রমিক সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের চেষ্টা করে। এতে ওই এলাকায় প্রায় চার ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ থাকে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার জানান, রবিবার রাতে নাসা গ্রুপের একটি কারখানার বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরা পড়ে। পরে মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ বন্ধ রাখার পরামর্শ দেয় পুলিশ। নাসা কর্তৃপক্ষ ওই রাতেই যন্ত্রপাতি ও পোশাক তৈরীর সরঞ্জাম অন্যত্র সরিয়ে নেয়া শুরু করে। এতে শ্রমিকরা বাধা দেয়। এ অবস্থায় নাসা কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করে দেয়। গতকাল সকালে শ্রমিকরা কারখানা বন্ধ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা কারখানা খুলে দেয়া ও পাওনা পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, বিজিএমইএ, সংশ্লিষ্ট কারখানার মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠকের পর শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেয়।