তোমাদের চিঠি থেকে
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:১৫
কচি-কাঁচার আসরের বন্ধুরা,
সবাইকে আমার আন্তরিক ফুলের শুভেচ্ছা। ২ এপ্রিল ছিলো কচি-কাঁচার শুভ জন্মদিন। এজন্য আসরের পাঠক, লেখক এবং প্রতিষ্ঠাতাসহ সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। সেই ১৯৫৬ সাল হতে ছাপানো কচি-কাঁচার আসর ২০১৩ সাল পর্যন্ত এখনো জনপ্রিয়। কচি-কাঁচার আসর ছোট হতে বড় সবার ভীষণ ভালো লাগে। এর মাধ্যমে পড়ার অভ্যাস হয়, পাশাপাশি পড়তে পড়তে লেখার ইচ্ছা জাগে। আঁকা ছবিগুলো সুন্দর করে পাঠাতে আগ্রহ জন্মে। কচি-কাঁচার আসর একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে ক্ষুদে লেখক এবং আঁকিয়েদের প্রতিভা বিকশিত হয়। এরা আমাদের পড়তে, জানতে এবং লিখতে শেখায়। আসরের মাধ্যমে বিভিন্ন ছোটমনিদের সন্দেশ, বন্ধুদের প্রেরিত চিঠি, সাফল্য, ছবি এবং কমিকস বেশ ভালো লাগে। প্রতি বুধবার তাই পত্রিকার অপেক্ষায় বসে থাকি। আমার প্রথম সদস্য হওয়া এবং ছাপানো ছড়া আসর ছাপায়। এর মাধ্যমেই আমি পরিচিতি লাভ করি। ২০১০ সাল হতে আমি আসর পড়ি এবং এর সদস্য হই। আমার কাঁচা হাতের লেখা ছড়াকে শুধরে দেয় আসর, আমি পাই লেখার নতুন মাত্রা। আসর আমাকে আনন্দের পাশাপাশি উত্সাহ এবং উদ্দীপনা দেয়। তাই আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আসরে ছড়া, কবিতা, গল্প এবং ছবির পাশাপাশি কুইজ এবং আমার প্রিয় বই বিভাগ আছে। কিন্তু কয়েক সংখ্যা যাবত্ বই বিভাগের লেখা পাচ্ছি না। এটি চালু করলে আমিসহ অন্য বন্ধুরাও বেশ খুশি হবে। এছাড়া ধাঁধা, কৌতুক, ভ্রমণ কাহিনী এবং জানা-অজানা ছাপালে আসর আরো জনপ্রিয় হবে। বেশি বেশি বন্ধুদের লেখা ও আঁকা ছাপানোর অনুরোধ রইল। আর জন্মদিনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সবার জন্য আবারো শুভেচ্ছা এবং আসরের শুভযাত্রা ২ পৃষ্ঠা হওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করলাম।
তোমাদের প্রিয় বন্ধু—
সুমনা আক্তার মীম, সদস্য নম্বর :১২৭৭।
দক্ষিণ গোড়ান, ঢাকা।
আসরের বন্ধুরা,
ঋতু-বৈচিত্র্যে ভরা বাংলাদেশ। বড় বড় কবি-লেখকরা তাঁদের লেখনিতে বাংলাদেশের ষড়ঋতুর সংগে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। আমরা প্রকৃতি এবং পরিবেশের দিকে তাকালে এর পার্থক্য বুঝতে পারি। বন্ধুরা এসো, আমাদের ছোট ছোট লেখা ও তথ্য দিয়ে কচি-কাঁচার আসরকে সমৃদ্ধ করে তুলি। নববর্ষের শুভেচ্ছা ও মঙ্গল কামনা করে তোমাদের জন্য একটি ছড়া পাঠালাম।
শারতাজ এফ রহমান
সদস্য নম্বর:৭৬৯
দ্বিতীয় শ্রেণী, সাউথ পয়েন্ট স্কুল, ঢাকা।