নিষ্প্রাণ শেয়ারবাজার
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:৪৯
অনেকদিন ধরেই শেয়ারবাজারে দরপতন চলছে। কমছে লেনদেনও। মাঝে দুই-একদিন সূচক বাড়লেও বাজারে তেমন কোনো আশা নেই। বিনিয়োগকারীরা অল্প অল্প লেনদেন করলেও বাজারে প্রাণ নেই। ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে নেই বিনিয়োগকারীদের ভিড়। এর কারণ জানতে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শেয়ারবাজারের মন্দা পরিস্থিতির পর নতুন করে যোগ হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক বড় বড় বিনিয়োগকারী বাজারে বিনিয়োগ করতে চাইছেন না। তারা বলছেন, এই মুহূর্তে শেয়ারবাজারে কেন বিনিয়োগ করবো? সূচক একদিন বাড়লে কমে পাঁচদিন। তাছাড়া কোম্পানিগুলো ভালো লভ্যাংশও দিতে পারছে না। তাই বাজারে বিনিয়োগের আগ্রহ নেই। ডিএসই’র (ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ) তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৫ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৪৩৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ১ পয়েন্ট। আর ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮২ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩৬ কোটি ৪৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, যা আগেরদিনের চেয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৭৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৪টির, কমেছে ১১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির।
ডিএসই’র তথ্যে জানা গেছে, গতকাল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, কেপিসিএল ও কনফিডেন্স সিমেন্ট সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড, কেপিসিএল সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড লভ্যাংশ হিসেবে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া কনফিডেন্স সিমেন্ড দিবে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ।
ডিএসই ও সিএসই (চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ) জানিয়েছে, আজ বুধবার পহেলা মে উপলক্ষে উভয় শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার যথারীতি লেনদেন চলবে।