ঘোড়াঘাট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৬ বিঘা জমির জাল দলিল

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৬ বিঘা জমির জাল দলিল সম্পাদন হয়েছে। এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট থানায় ৯জনকে আসামি করে একটি মামলা হলে পুলিশ জাল দলিলের ২জন হোতাকে গ্রেফতার করেছে। থানায় এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শ্রীমতি উর্মিলা মিনজ, পিতা-মৃত গাব্রিথালী, আদি সাং- কাশিয়াবাড়ী, উপজেলা- পাঁচবিবি, জেলা-জয়পুরহাট, বর্তমান সাং- গুঞ্জবাড়ী, উপজেলা- কোতোয়ালি, জেলা-দিনাজপুর। সে গত ২৪/০৪/১৯৯২ইং সালে ঘোড়াঘাট উপজেলার কুচেরপাড়া গ্রামের এস,এ রেকর্ডীয় মালিক শ্রী ডেলটা টুডুর কাছ থেকে এবং ২০/০৫/১৯৯৩ইং সালে যথাক্রমে ১০৩১ ও ১৩৪২ নং দুটি কোবলা দলিল মূলে মোট ৫ একর সাড়ে ২৩ শতক জমি ক্রয় করেন। বাদিনী উর্মিলা মিনজের ভাই জমি চাষতে গেলে তার খালাতো ভাই আবিরেরপাড়া গ্রামের শ্রী পাউলুস মিনজ বাধা প্রদান করে। পাউলুস জানায়, উর্মিলা তার সমস্ত সম্পত্তি তার নামে দানপত্র দলিলমূলে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনা উর্মিলা মিনজকে তার ভাই জানালে ঘটনাটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এক পর্যায়ে দলিলের নকল তুলে তারা দেখতে পায় দাতা হিসেবে উর্মিলা মিনজ তার খালাতো ভাই পাউলুস মিনজ’র নিকট ৫ একর সাড়ে ২৩ শতক জমি হস্তান্তর দলিল সম্পাদন হয়েছে। যার দলিল লেখক উপজেলার চাটশাল বিলপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র নজরুল ইসলাম। এ মামলার বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ এবিএম জাহিদুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জেলা জজের মাধ্যমে দলিলটি সিস করা হবে। তিনি আরও জানান, এ মামলার পর পাউলুস ও তারাজুল মারিয়ামপুর মিশনের ফাদারকে হুমকি প্রদান করছে বলে ফাদার জেলা পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ করেছে। ফাদার এ ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশ জানায়, মামলায় তারাজুল এবং পাউলুসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৬/০৪/১৩ইং তারিখে থানায় আটক পাউলুসের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সব জাল দলিলের ঘটনা তারাজুল ঘটিয়েছে।