আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামরান বিএনপিতে অর্ধ ডজন নেতা
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:০৩
তফসিল ঘোষণা হওয়ায় সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের প্রার্থীরা ভোটযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। গতকাল নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পরপরই সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ পাড়া-মহল্লার বাসিন্দা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অবশ্য গত কয়েক মাস ধরেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঈদ-পূজা, নববর্ষসহ নানা উত্সব-পার্বণ উপলক্ষে ভোটারদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রার্থীরা ব্যানার-পোস্টার টানিয়েছেন। পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর সিলেট সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচন হবে আগামী ১৫ জুন। গত দু’টি নির্বাচনেই মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। আসন্ন নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হবেন। গত শনিবার সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের এক সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত দলের সিলেট মহানগর সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে আবারও মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছেন। দলীয় সূত্র জানায়, মেয়র পদ ধরে রাখতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ একাট্টা। একারণে মেয়র পদের মনোনয়ন নিয়ে নিজেদের মধ্যে যাতে কোন বিভক্তি সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে দলের শীর্ষ নেতারা অত্যন্ত সতর্ক। তাই বদর উদ্দিন আহমদ কামরান আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসাবে ভোটযুদ্ধে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন বলে মনে করছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
অন্যদিকে বিএনপিতে প্রার্থীর ছড়াছড়ি। বহু গ্রুপে বিভক্ত সিলেট বিএনপির প্রায় হাফ ডজন নেতা মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। যদিও বিএনপি হাই কমান্ড সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেবে তা এখনো অনিশ্চিত। অনেকে মনে করছেন বিএনপি নির্বাচন বর্জন করতে পারে। আর সেক্ষেত্রে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেও কেউ কেউ প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে। তবে আপাতত বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা দলের সমর্থন নিয়েই প্রার্থী হওয়ার জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মহানগর বিএনপির সভাপতি এমএ হক, বিএনপির কেন্দ লালী পংকী, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ ীয় সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ।