জোফরা আর্চারকে যখন ইংল্যান্ড দলে ডাকা হয়েছিলো, তখন প্রধান নির্বাচক বলেছিলেন, এই ফাস্ট বোলার খুব ভালো কিছু করলে তার বিশ্বকাপ দলেও জায়গা হতে পারে। এর মধ্যে সেই দাবিটা তুলে ফেলেছেন আর্চার। ওয়ানডে অভিষেকে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১ উইকেট নিয়েছিলেন। পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছিলেন; কিন্তু আসল ভেল্কিটা দেখিয়েছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে পরিত্যক্ত ওয়ানডেতে। এমনই ভয়ানক বোলিং করেছেন, বিশেষজ্ঞরা তো বটেই, ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা মনে করছেন, আর্চারকে বিশ্বকাপ দলে না নেওয়ার কোনো কারণ নেই; কিন্তু ইংলিশ নির্বাচকদের সামনে বড় প্রশ্ন হবে, আর্চারকে জায়গা দিতে কে বাদ পড়বেন?
পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে খেলা হয়েছে মাত্র ১৯ ওভার। তারপরই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে ম্যাচ। আর এই সময়ের মধ্যেই আর্চার রীতিমতো ত্রাস তৈরি করে ফেলেছিলেন।
কন্ডিশন পক্ষে ছিলো। সেটা সব ফাস্ট বোলারেরই পক্ষে ছিলো; কিন্তু আর্চারের মতো করে কেউ কাজে লাগাতে পারেননি। গড়ে ৯০.৪৭ মাইল গতিতে বল করেছেন সেদিন। সর্বোচ্চ ৯৩.২ মাইল বেগেও বল করেছেন। সবমিলিয়ে ৪ ওভার বল করেছেন। এর মধ্যে ২ মেডেন নিয়ে ৬ রান খরচ করে তুলে নিয়েছেন ১ উইকেট; কিন্তু আক্ষরিক অর্থেই নাচিয়ে ছেড়েছেন ব্যাটসম্যানদের।
আর্চারের এই পারফরম্যান্স মুগ্ধ করে ফেলেছে তার ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ হওয়ার সম্ভাবনায় থাকা লিয়াম প্লাঙ্কেটকেও। তিনি বলেছেন, ‘ওর মতো একজন বোলার দলে থাকা মানে, আপনার দল শ্রেয়তর দল হয়ে যাবে। ওর এই বোলিং ছিলো অসাধারণ। ওর জন্য কাজটা খুব সোজা মনে হয়েছে। ৯৩ কিলোমিটারে বল করেছে, তেমন কোনো শক্তি যেনো খরচ না করেই।’