মধ্য ইউরোপে ব্যাপক বন্যা
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০১৩, ২১:১৫
কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে মধ্য ইউরোপে বন্যা এবং ভূমিধসে সাতজন মারা গেছে। জার্মানি, চেক প্রজাতন্ত্র এবং অস্ট্রিয়াতে দুর্যোগ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার হতে টানা বৃষ্টির কারণে নদীর কূল ছাপিয়ে কয়েকটি শহরে পানি প্রবেশের উপক্রম হয়েছে। চেক প্রজাতন্ত্রে বৃষ্টির কারণে একজন মারা গেছে। ভ্ল¬তাভা নদীর কূল ছাপিয়ে রাজধানী প্রাউগ শহরে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় ইস্পাতের প্রতিরোধ গড়ে তুলছে কর্তৃপক্ষ। প্রাউগের চতুর্দশ শতকের ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলোকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে। শহরের অভ্যন্তরে পানি প্রবেশ করায় গণপরিবহন কমিয়ে দেয়া হয়েছে এবং পাতাল ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। চেক প্রধানমন্ত্রী পেত্রে নেকাস বলেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার জন্য দুই শতাধিক সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানী প্রাউগের ভারপ্রাপ্ত মেয়র টমাস হুডেচেক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পরিস্থিতির ভয়াবহতা চিন্তা করে রাজধানীতে সতর্কতা জারি করে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বন্যায় জার্মানিতে কমপক্ষে চারজন মারা গেছে। জার্মানির চেমনিজ, পেস্যু এবং রোসেনহেইম শহরে দুযোগ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মারকেল জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারিভাবে সহায়তা দেয়া হবে এবং বন্যা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি হলে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। পেস্যুর মেয়র জুরগেন ডুপার বলেছেন, তিন নদীর মোহনায় অবস্থিত এ শহরটিতে ২০০২ সালের বন্যার থেকেও বেশি পানি হতে পারে। জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএ তাদের খবরে বলেছে, প্রবল বর্ষণে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় রাইন, মাইন এবং নেকার নদীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মধ্য ইউরোপের সুইজারল্যান্ড এবং অস্ট্রিয়াতেও বন্যার প্রভাব পড়েছে। প্রবল বর্ষণের কারণে সেখানে বন্যা এবং ভূমিধস দেয়া দিয়েছে। ভূমিধসে অস্ট্রিয়াতে একজন পরিচ্ছন্নকর্মী নিহত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে।